দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, ১৫ জুলাই : করোনা আবহের মধ্যেই, প্রকাশিত হল এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল। সকাল ১০ টায় আনুষ্ঠানিক ভাবে মেধা তালিকা ঘোষণা করেছেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সভাপতি কল্যাণময় বন্দোপাধ্যায়।
এবার, পাশের হার ৮৬.৩৪ শতাংশ। পাশের হারে প্রথম স্থান অর্জন করেছে পূর্ব মেদিনীপুর (৯৬.৫৯%)। তারপরেই রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর (৯২.১৬%)। তৃতীয় স্থানে কলকাতা, পাশের হার ৯১.০৭%। পর্ষদ সভাপতি জানিয়েছেন, ২২ শে জুলাই মার্কশিট
দেওয়া হবে অভিভাবকদের হাতে। আজ ১০:৩০ টার পর ওয়েবসাইটে ফল দেখতে পাবে ছাত্র-ছাত্রীরা।
এক নজরে দেখে নিন মেধাতালিকা :
প্রথম: মেমারি বিদ্যাসাগর মেমোরিয়াল হাইস্কুলের ছাত্র অরিত্র পাল। প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯৪।
দ্বিতীয়: মোট ২জন দ্বিতীয় স্থানাধিকারী। বাঁকুড়ার ওন্দা হাইস্কুলের সায়ন্তন
গড়াই, কাটোয়ার কাশীরাম দাস ইনস্টিটিউশন অভীক দাস। প্রাপ্ত নম্বর: ৬৯৩।
তৃতীয়: কেন্দুয়াডিহি হাইস্কুলের সৌম্য পাঠক, পূর্ব মেদিনীপুরের দেবস্মিতা মহাপাত্র এবং রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন হোমের ছাত্র অরিত্র মাইতি। প্রাপ্ত
নম্বর: ৬৯০।
চতুর্থ : অগ্নিভ সাহা। বীরভূম জেলা স্কুল। প্রাপ্ত নম্বর: ৬৮৯।
পঞ্চম : বংশীহারি হাইস্কুলের অঙ্কিত সরকার, স্বস্তিক সরকার, রশ্মিতা সিনহা মহাপাত্র বিক্রমপুর আরডি হাইস্কুল, বিভা বসু মণ্ডল গোরাবাজার
মুর্শিদাবাদ
ষষ্ঠ : ষষ্ঠ হয়েছে ১২ জন। রিঙ্কিনি ঘটক শিলিগুড়ি গার্লস হাইস্কুল। রায়গঞ্জ করোনেশন হাইস্কুল অর্চিস্মান সাহা বীরভূম জেলা স্কুল, রাজিবুল ইসলাম প্রাপ্ত নম্বর: ৬৮৭। বাঁকুড়া খ্রিস্টান কলেজিয়েট স্কুলের সৃজন সাহা
দক্ষিণচক হাইস্কুল অরিজিৎ গুহ রায়, সপ্তর্ষি জানা, অস্মি চৌধুরি অশোকনগর বাণীপীঠ গার্লস হাইস্কুল। সৌহার্দ পাত্র হরিয়া ময়নাপুর হাইস্কুল হাওড়া
সপ্তম : সপ্তম হয়েছেন ১৭ জন। করণ দত্ত, ঋতম বর্মন, সোহম তামাং, অরণী
চট্টোপাধ্যায়, অরিত্র মাঝি, সাগ্নিক মিত্র কেন্দুয়া, বর্ধমান সিএমএইচ হাইস্কুলের শৌভিক সরকার, দিব্যকান্তি ঘোড়ই, সম্প্রীতি কুণ্ডু, পিয়াস প্রামাণিক, সাহিত্য মণ্ডল, শহিদ মহম্মদ শামিম।
অষ্টম : অষ্টম হয়েছেন ১১ জন।
প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৫। নাসমিন আজাদ, মহম্মদ তাহিনুজ্জামান, সুপ্রতীক পণ্ডিত, অঙ্কিতা ঘোষ, শুভঙ্কর মাইতি।
নবম : নবম স্থানাধিকারী অনেকেই। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৬৮৪।
দশম : মাধ্যমিকে দশম স্থানাধিকারীরা পেয়েছেন ৬৮৩।
উল্লেখ্য যে, এবার মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিল ১০ লক্ষ ৩ হাজার ৬৬৬ জন। ছাত্রের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা ছিল বেশি।







