দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৮ আগস্ট : পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হলেন ৫৪। র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টে এই ৫৪ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানা গেছে জেলা স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে। উল্লেখ্য যে, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে’র ল্যাবরেটরি (ভিআরডিএল)’তে আরটি-পিসিআর টেস্ট এখনো বন্ধ আছে। এদিকে, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ৮ জন মেদিনীপুর শহর ও শহরতলীর এবং ৮ জন খড়্গপুর খড়্গপুর শহর ও গ্রামীণের। এছাড়াও, চন্দ্রকোনা – ১ ও ২ নং ব্লক, গড়বেতা’র বিভিন্ন ব্লক থেকে সংক্রমিতদের সন্ধান পাওয়া গেল।
মেদিনীপুর শহরের উপকণ্ঠে রাঙামাটি’তে একই পরিবারের দু’জন (৫২ বছরের মহিলা ও ২৮ বছরের যুবক) ছাড়াও মির্জাবাজার (৭৮ বছরের প্রৌঢ়), বিবিগঞ্জ (৫১ বছরের ব্যক্তি), ক্ষুদিরাম নগর (৪০ বছরের ব্যক্তি), নান্নুরচক (২৮ বছরের যুবক), বল্লভপুর (২৭ বছরের যুবক) এবং সঙ্গতবাজার (৩০ বছরের যুবক) করোনা সংক্রমিত হয়েছেন এদিন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রিপোর্ট পজিটিভ আসা এই শহরবাসীর মধ্যে অনেকে উপসর্গহীন এবং অনেকে স্বল্প উপসর্গযুক্ত। তবে, দু’একজনের রীতিমতো উপসর্গ আছে বলে জানা গেছে। এদিকে, খড়্গপুর গ্রামীণের রূপনারায়ণপুর এলাকার এক তরুণ (৩৫) ছাড়াও শহরের ৭ জন সংক্রমিত হয়েছেন; এঁরা যথাক্রমে রবীন্দ্রপল্লী (৩৮ বছরের ব্যক্তি), গোলবাজার (৩০ বছরের তরুণী), মালঞ্চ (৪৫ বছরের ব্যক্তি), খরিদা (৫৬ বছরের মহিলা), তালবাগিচা (৩৬ বছরের যুবক), তালঝুলি (৬৯ বছরের প্রৌঢ়), ভগবানপুর (৫৯ বছরের ব্যক্তি) এলাকার বাসিন্দা।
অপরদিকে, চন্দ্রকোনা- ১ (ক্ষীরপাই) এর জন ৯ জন এবং ক্ষীরপাই পৌরসভার এক কিশোর (১৭) এর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বৃহস্পতিবার। অন্যদিকে, চন্দ্রকোনা- ২ নং এর টাউন চন্দ্রকোনার পলাশচাবড়ী গ্রামের একই পরিবারের ৯ জন করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। এছাড়াও, টাউন চন্দ্রকোনা’র (মহেশপুর, ১৮ বছরের তরুণী) আরো একজনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। গড়বেতা- ১ নং এর গড়বেতায় অবস্থিত একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের কর্মী (বর্ধমানের বাসিন্দা, বয়স ৩৩), গড়বেতা- ২ নং এর গোয়ালতোড় এলাকার এক তরুণী (২৯) ও করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গড়বেতা- ৩ অর্থাৎ সাতবাঁকুড়া (চন্দ্রকোনা রোড) এলাকার ৬ জন সংক্রমিত। এছাড়াও, দাসপুর- ১ এর ৫ জন, দাঁতন- ১ এর ৩ জন এবং নারায়ণগড় ব্লকের ২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সবমিলিয়ে, র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট থেকে বৃহস্পতিবার ৫৪ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানা গেছে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে।







