নিজস্ব প্রতিবেদক, খড়্গপুর, ২ আগস্ট : একেই বলে নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাস! মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা বললেও অত্যুক্তি হয়না! পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে নিউ সেটেলমেন্টের এক পরিবারে নেমে এল চরম দুর্ঘটনার ঘোর অমানিশা! গত ১ লা আগস্ট বিশাখাপত্তনমের হিন্দুস্তান শিপইয়ার্ডে ক্রেন ভেঙে মৃত্যু হয়েছিল ১১ জনের। মৃতদের মধ্যে খড়গপুরের নিউ সেটেলমেন্ট এলাকার এক পরিবারের জামাই ছিলেন। খবর পেয়ে মৃত জামাইকে শেষ বারের জন্য দর্শন করতে এবং শোকার্ত মেয়ের পাশে দাঁড়াতে, রেলকর্মী কে. নাগমনি (মৃতের শাশুড়ি) তাঁর দুই ছেলে ও বউমা’কে নিয়ে নিজেদের স্করপিও গাড়িতে চালক নিয়ে শনিবার রওনা দিয়েছিলেন বিশাখাপত্তনমের উদ্দেশ্যে। বিশাখাপত্তনাম যাওয়ার পথে শোনপাট্টার কাছে, শ্রীকাকুলাম জেলার মনডসা এলাকায় ১৬ নং জাতীয় সড়কের উপরে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে একটি মালবাহী ট্রাকের পিছনে!
ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়, নিউ সেটেলমেন্ট এলাকার বাসিন্দা রেলকর্মী কে. নাগমনি (৪৮), তাঁর ছোটো বৌমা লাবণ্য (২৪) এবং গাড়ির চালক আর. দ্বারকা (২৫)র। গুরুতর আহত হয়ে ওই এলাকার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন, ওই
রেলকর্মী’র ছোটো ছেলে দিলেশ্বর রাও, বড় ছেলে কে. রাজশেখর এবং বড় বৌমা কে. লক্ষ্মী। এর মধ্যে ছোটো ছেলে গুরুতর জখম হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন বলে জানা যায়। ছোটো ছেলে-বউমা’র তিন বছরের জমজ (দুটি) পুত্র
আছে। তারা এখন, লাবণ্যের বাপের বাড়িতে আছে। এই মর্মান্তিক ঘটনায় নিউ সেটেলমেন্টের এই পরিবারেই নয় সমগ্র রেল কলোনীতে নেমে এসেছে তীব্র শোকের ছায়া! ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর পূজা নাইডুর উদ্যোগে, শোনপাট্টা এলাকায়
পৌঁছেছেন, পরিবারের বাকি সদস্যরা।







