মণিরাজ ঘোষ, মেদিনীপুর, ১ আগস্ট : জ্বর, সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, হালকা কিংবা তীব্র শ্বাসকষ্ট প্রভৃতি উপসর্গ গুলির সাথে সাথে, ঘ্রাণ-শক্তি কমে যাওয়া ও স্বাদ গ্রহণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলাও করোনা’র অন্যতম
উপসর্গ। কিন্তু, বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে, উপসর্গহীন বা স্বল্প উপসর্গ যুক্ত করোনা আক্রান্তদের জিজ্ঞেস করলেই উত্তর পাওয়া যাচ্ছে, তাঁর অন্য কোনো উপসর্গ নেই, শুধু মুখের স্বাদ হারিয়ে ফেলেছেন! এবার এই উপসর্গে করোনা আক্রান্ত
হলেন, মেদিনীপুর শহরের মিরবাজারের বছর ৪৭ এর এক ব্যক্তি। তাঁর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেল, মেদিনীপুর শহরের এক দোকানের কর্মী তথা মধ্যবয়স্ক এই ব্যক্তি বিগত বেশ কিছুদিন ধরে খাবারের কোনো স্বাদ পাচ্ছিলেন না! তাই, নিজেই
উদ্যোগ নিয়ে, শহরের উপকণ্ঠে আয়ুশ হাসপাতালে গিয়ে গত ২৯ জুলাই লালারস দিয়ে আসেন। ৩১ জুলাই (শুক্রবার) সত্যি সত্যিই তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে! তাঁকে ওই করোনা হাসপাতালেই নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে
পুলিশ প্রশাসন।
মেদিনীপুর শহর ও শহর লাগোয়া বিভিন্ন এলাকা জুড়ে শুক্রবার মোট ৭ জনের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আশার কথা হল, বেশিরভাগ জনই উপসর্গহীন বা স্বল্প উপসর্গ যুক্ত। জেলা স্বাস্থ্য ভবনের এক কর্মী এবং মিরবাজারের
এই বাসিন্দা ছাড়াও শুক্রবার, শহর লাগোয়া রাঙামাটি এলাকার দু’জনের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। একজন পেশায় প্রাথমিক শিক্ষক (৩৩)। তিনি সদর গ্রামীণ চক্রে শিক্ষকতা করতেন। সম্প্রতি, কয়েকদিন আগে তাঁর জ্বর হয়েছিল
বলে জানা যায়। সেই সূত্রে, নিজের করোনা পরীক্ষা করালে, রিপোর্ট পজিটিভ আসে শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায়। রাঙামাটির অপর একজন করোনা আক্রান্ত হলেন, ৩০ বছর বয়সী এক যুবক। শহরের পঞ্চম করোনা আক্রান্ত হলেন, কেরানীটোলার
বছর পঞ্চাশের এক মহিলা। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা করাতে গিয়ে, উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাঁর লালারস সংগ্রহ করা হয়েছিল। শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যায় তাঁর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শহরের ষষ্ঠ ও সপ্তম আক্রান্তরা হলেন,
জেলার অন্যতম করোনা যোদ্ধা তথা মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের দুই জুনিয়র চিকিৎসক। তবে, দু’জনই উপসর্গহীন বা স্বল্প উপসর্গযুক্ত বলে জানা যায়।
- Corona Update
- Health
- Paschim Medinipur
- Recent
- Society
- South Bengal
- এক ঝলকে
- করোনা আপডেট
- রাজ্য
- দক্ষিণবঙ্গ
- পশ্চিম মেদিনীপুর
- সমাজ
- সাম্প্রতিক
- স্বাস্থ্য







