বিশেষ প্রতিবেদন, সুদীপ্তা ঘোষ, ৩০ জুলাই : করোনা সংক্রমণের চেইন ভাঙার জন্য শুরু হয়েছিল লকডাউন। কিন্তু তার জন্য সমস্যায় পড়েছিলেন খেটে খাওয়া মানুষ, প্রভাব পড়ছিল অর্থনীতিতে। ফলে অর্থনীতিকে ফের ট্র্যাকে
আনতে শুরু হয় আনলক পর্ব। আনলক ১ আগেই শেষ হয়ে গেছে, ২ শেষের দিকে। শুরু হচ্ছে, আনলক-৩। ইতিমধ্যেই, কেন্দ্র গাইডলাইন প্রকাশ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছেন আগামী ৩১শে আগস্ট পর্যন্ত রাজ্য লকডাউন
জারি থাকবে। সেইসঙ্গে কনটেইনমেন্ট জোন গুলিতে কড়াকড়ি ভাবেই নজরদারি চলবে। আগস্ট এর শুরু থেকে কোন কোন ক্ষেত্রে ছাড় মিলবে, বৃহস্পতিবার এই সম্পর্কিত নির্দেশিকা জারি করা হল নবান্ন থেকে।
আনলক ৩-এ রাজ্যে যে যে ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া যাবে সেগুলি হল-
১. সমস্ত রকমের ওষুধ দোকান এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা চালু থাকবে।
২. আইন সংক্রান্ত যেকোনো ক্ষেত্র, দমকল, বিদ্যুৎ, জল, এবং বিভিন্ন জরুরী পরিষেবা চালু থাকবে।
৩. শিল্পের ক্ষেত্রে ইন-হাউস কর্মীদের নিয়ে কাজ চলতে পারে।
৪. কৃষি ক্ষেত্রে, চা-বাগানে কাজ চলতে পারে।
৫. আন্তঃরাজ্যে এক্সপোর্ট এবং ইমপোর্ট করা যাবে।
৬. আর বি আই এর বিধি অনুযায়ী কমার্সের কাজ চলবে।
৭. মুদিখানার ক্ষেত্রে, রান্না করা খাবার হোম ডেলিভারির
ক্ষেত্রে ছাড় থাকবে।
৮. সংবাদ মাধ্যমের ক্ষেত্রেও ছাড় থাকবে।
তবে নবান্ন তরফে জানানো হয়েছে জেলাশাসক প্রয়োজন বোধ করলে কোন জায়গার করোনা পরিস্থিতি অনুযায়ী বিধি নিষেধ কঠোর করতেও পারেন তার সাথে রাস্তায়
বেরোলেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে এবং মাস্ক অবশ্যই পরে বেরোতে হবে।

সংক্রমণের চেইন ভাঙতে সপ্তাহে দুদিন করে সম্পূর্ণ লকডাউন থাকবে আগস্ট মাসে। ৫, ৮, ১৬, ১৭, ২৩, ২৪ এবং ৩১ আগস্ট সম্পূর্ণ লকডাউন
থাকবে রাজ্যে। ফলে যে যে ক্ষেত্রে ছাড় থাকবে না সেগুলি হল-
১. যেকোনো রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, বিনোদনমূলক, শিক্ষামূলক জামায়াত করা যাবে না।
২. বন্ধ থাকবে সিনেমা হল, সুইমিং পুল, বিনোদন পার্ক, পানশালা,
অডিটোরিয়াম।
৩. বন্ধ থাকবে স্কুল অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে, কেন্দ্রের নির্দেশিকায় সমস্ত কিছু নিয়মাবলী মেনে, কন্টেনমেন্ট জোন গুলি ছাড়া, ৫ আগস্ট থেকে খোলা যাবে যোগা সেন্টার এবং জিমনেশিয়াম।







