নিজস্ব প্রতিবেদক, মেদিনীপুর, ৪ জুন : বাম ছাত্র সংগঠন এসএফআই এর পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা কমিটির পক্ষ থেকে, শিক্ষা-সংক্রান্ত বেশ কিছু দাবি নিয়ে, সংগঠনের জেলা কেন্দ্র থেকে মিছিল করে কালেক্টরেটে গিয়ে জেলা শাসকেকের কাছে ডেপুটেশন দেওয়া হল শুক্রবার। মূল দাবিগুলি ছিল-
১. স্কুল শিক্ষায় একটি শিক্ষাবর্ষের এবং উচ্চশিক্ষায় একটি সেমিস্টারের সমস্ত ফিস মুকুব করা।
২. সকল ছাত্রের জন্য অনলাইন পরিকাঠামো না গড়ে অনলাইন শিক্ষা না চাপানো।
৩. কোভিড-১৯ পরবর্তী শিক্ষায় ড্রপ আউট রোধ করতে দরিদ্র মধ্যবিত্ত ছাত্রসমাজকে শিক্ষার পরিসরে যুক্ত রাখতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে বিশেষ স্টিমুলাস প্যাকেজ চালু করার দাবি।
৪. কোভিড-১৯ পরবর্তী শিক্ষা ও পঠন পাঠন পদ্ধতি, পরীক্ষা ব্যবস্থা , শিক্ষাবর্ষের সূচি ইত্যাদি ছাত্র, শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের সঙ্গে যৌথ আলোচনার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দাবি।
৫. মেদিনীপুর শহরে পাঠরত ছাত্র-ছাত্রীদের মেস ভাড়ার বিষয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে আলোচনা করার দাবি।
৬. সর্বোপরি, বেসরকারি স্কুলগুলির ফিস এবং বাস ভাড়া মুকুব করার দাবি জানানো হয় এদিনের ডেপুটেশন থেকে।

অপরদিকে, সারা দেশের সঙ্গে তালমিলিয়ে বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়ন সমূহ এবং বিভিন্ন গণসংগঠন গুলির যৌথ উদ্যোগে অবস্থান, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ দিবস অনুষ্ঠিত হল শুক্রবার, মেদিনীপুর শহরের গান্ধী মুর্তির পাদদেশে। যে সব দাবিকে সামনে রেখে এদিনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হল, সেগুলি হল- ১. সারা দেশ জুড়ে পেট্রোল ও ডিজেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি অবিলম্বে প্রত্যাহার করা।
২. কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রেট্রোপণ্যর উপর চাপানো শুল্ক হ্রাস, কয়লা খনি সহ অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ না করা।
৩. শ্রমআইন বদল না করা।
৪. করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের মধ্যে কাজ হারানো সযস্ত শ্রমিকদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কমপক্ষে মাসিক ৭৫০০ টাকা ভাতার ব্যবস্থা করা, সাধারণ শ্রমিকদের পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিক সহ সমস্ত অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের সামাজিক সুরক্ষা প্রদান।
৫. লক ডাউন কালীন সময়ে বিদ্যুৎ বিল না নেওয়া প্রভৃতি।








