দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৬ আগস্ট : পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় করোনা পরীক্ষা বা কোভিড টেস্টের সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে, আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট হচ্ছে
প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ১০০০ টি করে। এছাড়াও, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ভাইরাল ল্যাবরেটরিতে (ভিআরডিএল) আরটিপিসিআর টেস্ট তো হচ্ছেই। তবে, মেদিনীপুর শহর শহর সহ বিভিন্ন এলাকাতেই সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, আক্রান্তরা
যথারীতি সুস্থও হয়ে উঠছেন। জেলা প্রশাসন তথা স্বাস্থ্য ভবনের উদ্যোগে বাড়ানো হয়েছে করোনা শয্যা। এই মুহূর্তে, মোট ৪৪০ টি করোনা শয্যা রয়েছে জেলায়, শালবনীতে ২০০ টি, আয়ুশ হাসপাতালে ১০০ টি ও আয়ুশ সেফ হোমে (দ্বিতীয়
ক্যাম্পাসে) ১০০ টি এবং ডেবরা সেফ হোমে ৪০ টি। ১৬ আগস্ট (রবিবার) সন্ধ্যায়, জেলা স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে যে রিপোর্ট পাওয়া গেছে, তাতে এই চারটি করোনা চিকিৎসা কেন্দ্রে মোট ৩৩১ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শালবনীতে ১৬৮ জন, আয়ুশ
হাসপাতালে ৯৯ জন, আয়ুশ সেফ হোমে (নবনির্মিত) ২৫ জন এবং ডেবরা সেফ হোমে ৩৯ জন চিকিৎসাধীন আছেন বলে জানা যায় স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে। উল্লেখ্য যে, ১৫ আগস্ট থেকে জেলার নতুন সেফ হোমে (আয়ুশের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস, তাঁতিগেড়িয়া)
চিকিৎসা পরিষেবা শুরু হয়েছে। এই মুহূর্তে ২৫ জন চিকিৎসাধীন আছেন।
জেলা স্বাস্থ্য ভবনের আজকের (১৬ আগস্টের) রিপোর্ট অনুযায়ী, জেলায় এখনো পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৮৬৫। চিকিৎসাধীন আছেন ৭৬২ জন। এর মধ্যে, ৩৩১ জন উপসর্গযুক্ত ও স্বল্প উপসর্গযুক্ত সংক্রমিত বিভিন্ন (চারটি) করোনা হাসপাতালে এবং ৪৩১ জন উপসর্গহীন আক্রান্ত আছেন হোম আইশোলেশনে কিংবা কোয়ারেন্টিন সেন্টারে। জেলায় এখনো পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৯ জনের। মৃত্যুর হার, ২ শতাংশের কিছু বেশি।







