বিশেষ প্রতিবেদন, সায়নী দাশগুপ্ত, ১৬ জুলাই : বাংলায় দিন দিন উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ! এই পরিস্থিতিতে, কিভাবে দুর্গা পুজো করা যায় তা নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিল ক্লাব উদ্যোক্তারা। গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, “সামনেই বাঙালির সবচেয়ে প্রাণের উৎসব দুর্গাপূজা। পুজো তো ভালোভাবে করতে হবে , তার জন্যে সবাইকে সুস্থ থাকতে হবে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।”
তাহলে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধি মেনেই কি দুর্গা পুজো হবে এবার? সেই সমস্যা নিরসনে উপায় বের করেছে, কলকাতার দুর্গাপূজো কমিটিগুলির সংগঠন “ফোরাম ফর দুর্গোৎসব”। সুষ্ঠুভাবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাতে এবছরের
পুজো করা যায় তার জন্য একটি গাইড লাইন বানিয়েছে “ফোরাম”।
এই গাইড লাইনে বেশ কিছু নতুন নিয়ম কানুন জারি করা হয়েছে। এই গাইড লাইন কলকাতার সব পুজো কমিটি গুলিকে জানানো হয়েছে। এই গাইড লাইন প্রস্তাবনার
আকারে প্রশাসনকেও দেবে ফোরাম।
কী বলা হয়েছে এই গাইড লাইনে?
• মণ্ডপ ও প্রতিমার উচ্চতা খুব বেশি না করা।
•মণ্ডপের বাইরের থেকে প্রতিমা দর্শনের সুযোগ রাখলে ভালো হয়।
•মণ্ডপের ভিতরে চাকচিক্য কমানোর প্রস্তাব।
• দর্শনার্থীদের মুখে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার থাকা
আবশ্যক।
• মণ্ডপের মূল প্রবেশ পথে থার্মাল গান রাখা আবশ্যক, গায়ে জ্বর নিয়ে মণ্ডপে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
•একসাথে ২৫ জনের বেশি দর্শনার্থীকে মণ্ডপে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না।
•শুধু রাতেই নয়, সারাদিন ঠাকুর দর্শন
করা যাবে।
•পুজোর সময় প্রত্যেকদিন
মণ্ডপ ও প্রতিমা সানিটাইজ করা হোক।
•ঠাকুরের ভোগে গোটা ফল দিতে হবে।
•দুটি স্টলের মধ্যে কমপক্ষে ৩ থেকে ৪ ফুটের ব্যাবধান রাখতে হবে।
•স্টল গুলিকে আগের থেকে
খাবার তৈরি করে রাখতে হবে, বসে খাওয়া চলবে না।
• পুষ্পাঞ্জলি, সন্ধিপূজা ও আরতির সময় সামাজিক দুরত্ববিধি মানতে হবে।
• এলাকা সানিটাইজ করার ক্ষেত্রে পুজো কমিটি গুলিকে দায়িত্ব নিতে হবে।
কিন্তু সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কলকাতার পুজোয়
যেখানে লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ
ঠাকুর দেখতে বেরোন, তাদের ক্ষেত্রে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা কিভাবে সম্ভব তা নিয়ে সন্ধিহান পুজো কমিটি গুলো!







