আক্রান্ত বাড়লেও দেখা যাচ্ছে আশার আলো, উপসর্গহীন আক্রান্তরা কোয়ারেন্টিনে থেকেই সুস্থ হবেন, মেদিনীপুরে শুরু হল সেই প্রক্রিয়া

বিশেষ প্রতিবেদন, মণিরাজ ঘোষ, ৯ জুন : উপসর্গহীন বা স্বল্প উপসর্গ যুক্ত আক্রান্তদের নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। বাড়িতে কিংবা সরকারি কোয়ারেন্টিন সেন্টারে রেখেই তার চিকিৎসা করা যেতে পারে, পাঠানোর প্রয়োজন নেই করোনা হাসপাতালে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র পরামর্শ মেনে আইসিএমআর এই গাইডলাইন দিয়েছে। এদিকে আজ বিশ্ব সংস্থা (হু)’র ইমার্জিং ডিসিস বিভাগের প্রধান মারিয়া ভন কেরকোভ জানিয়েছেন, “উপসর্গহীন আক্রান্তদের থেকে সংক্রমণ ছড়ায় না!” একই কথা বলেছেন, সংস্থা’র প্রধান টেডরোস অ্যাডানম গ্যাব্রিয়াসুস।

[ আরও পড়ুন -   BREAKING: এসএসসি'র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগে বাধা কাটতে চলেছে, বহু প্রতীক্ষিত আপার প্রাইমারি মামলার চূড়ান্ত রায়দান হতে চলেছে শুক্রবার ]
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
হু প্রধান ডাঃ গ্যাব্রিয়াসুস :

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ইতিমধ্যে আইসিএমআর এর নির্দেশ মেনে, উপসর্গহীন বা স্বল্প উপসর্গ যুক্তদের কোয়ারেন্টিন সেন্টার কিংবা করোনা হাসপাতাল লেভেল ১ এবং ২ তে রেখেই চিকিৎসা করা শুরু হয়েছে রবিবার থেকে। এই বিষয়ে এক উচ্চপদস্থ স্বাস্থ্য কর্তা জানিয়েছেন, “সম্প্রতি আইসিএমআর এক গাইডলাইনে জানিয়েছে, উপসর্গহীন কিংবা স্বল্প উপসর্গ যুক্তদের বাড়িতে বা কোয়ারেন্টিন সেন্টারে কিছুদিন রাখলেই ভাইরাস মুক্ত হয়ে যাবেন। প্রয়োজন ছাড়া ওষুধ প্রয়োগেরও প্রয়োজন নেই। কিছুদিন পর পুনরায় করোনা টেস্ট করার পর নেগেটিভ রিপোর্ট এলেই তাঁকে সুস্থ বলে ধরা হবে। পজিটিভ এলে করোনা হাসপাতালে পাঠানো যেতে পারে।”

[ আরও পড়ুন -   শালবনীতে ট্রেনে কাটা পড়ে মর্মান্তিকভাবে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির ]

তবে উচ্চপদস্থ ওই স্বাস্থ্যকর্তা এও জানিয়েছেন, “এ রাজ্যে বেশিরভাগ মানুষেরই বাড়িতে উপযুক্ত পরিবেশ বা একা থাকার মতো ঘর নেই! সেক্ষেত্রে তাকে সরকারি কোয়ারেন্টিন সেন্টারে রাখাই যথোপযুক্ত হবে।”

আজ এই বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization) ও নিজেদের বক্তব্য স্পষ্ট করে দিয়ে জানিয়েছে, একটা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, উপসর্গহীন আক্রান্তদের থেকে সংক্রমণ ছড়ানোর ঘটনা বিরল, সম্ভাবনা প্রায় নেই! সংক্রমণ ছড়াচ্ছে উপসর্গযুক্ত আক্রান্তদের থেকেই।

[ আরও পড়ুন -   যত কান্ড কেশপুরে! বিজেপি বুথ সভাপতির বাড়িতে আগুন লাগাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা পশ্চিম মেদিনীপুরে ]
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
মারিয়া ভন কেরকোভ :