মণিরাজ ঘোষ, মেদিনীপুর, ২২ মে :‘গৃহবন্দী’ জীবন, আপাতত বন্ধ প্রতিষ্ঠান; তবে বন্ধ নেই শিল্পচর্চা! শহরের ‘মঞ্জীর’ নৃত্য-প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষা তথা নৃত্যশিল্পী পিয়াঙ্কা সাহা তাই সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমেই, রবীন্দ্রসংগীত সহযোগে নৃত্যের মধ্য দিয়ে কবিপক্ষের প্রণাম ও তাঁর প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদে-শিল্পী সহ আপামর শিল্প-সচেতন মানুষের প্রতি প্রেমের বার্তা দিয়েছেন।
রবি ঠাকুরের ‘প্রকৃতি’ পর্যায়ের (যদিও রবীন্দ্র গবেষকদের মতে, রবি ঠাকুরের প্রেম ও প্রকৃতি পর্যায়ের গান একে অপরের পরিপূরক) গান “আমার মল্লিকা বনে” সহযোগে তাঁর নৃত্য (অনেক বলেন, রবীন্দ্র-নৃত্য) পরিবেশনা, এই নিষ্ঠুর সময়েও রবীন্দ্র-আকাঙ্খিত চিরন্তন প্রেম ও ভালোবাসার বার্তা দিয়ে যায়; মনে করছেন নৃত্য ও সঙ্গীত প্রেমীরা।
শিল্পী’র মতে, “সময় আমাদের সহায় নয়, তাই পরিস্থিতির দাবি মেনে গৃহ-অন্তরালে থেকেই শিল্প-চর্চা ও শিল্প-নিবেদন করে যেতে হবে। কবিপক্ষে ঠাকুর রবীন্দ্রনাথ’এর প্রতি অন্তরার্ঘ্য সমর্পণ এবং আপামর শিল্প-প্রেমীদের প্রতি প্রেম ও বাড়িতে থেকেই শিল্পচর্চার বার্তা দিতেই আমার এই সামান্য প্রয়াস।”







