জেলাবাসীকে আপাত স্বস্তি দিয়ে জেলার সমস্ত রিপোর্ট ‘নেগেটিভ’ এল, আপাতত পাঁচ দিন বন্ধ থাকছে পরিযায়ীদের নমুনা সংগ্রহ

মণিরাজ ঘোষ, মেদিনীপুর, ২৮ মে :  জেলার বাইরে থাকা হাজার হাজার (পরিযায়ী শ্রমিক) শ্রমজীবী মানুষ ইতিমধ্যে ফিরে এসেছেন জেলায়! বাসে, হেঁটে কিংবা ট্রেনে করে ফিরে আসা সেই পরিযায়ী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার সাথে সাথে, নমুনা সংগ্রহও করা হচ্ছে, করোনা পরীক্ষার জন্য। বিশেষত, রাজ্য থেকেই স্পষ্ট নির্দেশ আছে গুজরাত, মহারাষ্ট্র ও দিল্লি ফেরত পরিযায়ী শ্রমিকের করোনা পরীক্ষার বিষয়ে। ইতিমধ্যে, গত কয়েক দিনে বিভিন্ন জেলা মিলিয়ে কয়েকশো পরিযায়ী শ্রমিকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভও এসেছে। তাই, পরিযায়ী শ্রমিক এবং আক্রান্তের সংস্পর্শে থাকাদের করোনা রিপোর্ট নিয়ে চিন্তিত ছিল জেলাবাসী! মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের বৃহস্পতিবার সকালের রিপোর্ট কিছুটা হলেও স্বস্তি দান করবে জেলাবাসীকে। ২৭ মে, বুধবার টেস্ট হওয়া জেলার ৮৮৯ টি করোনা রিপোর্টই নেগেটিভ বলে জানা গেছে, জেলা স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে। এই ৮৮৯ জনের অধিকাংশই পরিযায়ী শ্রমিক এবং আক্রান্তদের সংস্পর্শে থাকা পরিজন বলে জানা গেছে।

[ আরও পড়ুন -   করোনার দোসর আমফান, স্কুল ছুটি ৩০ শে জুন পর্যন্ত, তবে ঘোষিত সময়েই হবে উচ্চমাধ্যমিক, ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রী'র ]

 

দ্য বেঙ্গল পোস্ট
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য ভবন :

অপরদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় ফিরে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের নমুনা সংগ্রহ আপাতত পাঁচদিন বন্ধ থাকছে। জেলা স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গেল, ২৭ শে মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৫ দিন পরিযায়ী শ্রমিক সহ সাধারণ মানুষের নমুনা সংগ্রহ বন্ধ থাকবে। তবে উপসর্গ থাকলে সংগ্রহ করা হবে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ গিরিশ চন্দ্র বেরা বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, “ইতিমধ্যে প্রচুর পরিমাণে নমুনা জমা হয়ে গেছে, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ল্যাবরেটরিতে। সেগুলো আপাতত টেস্ট করা চলছে। তাই, কয়েকদিন বন্ধ রাখা হচ্ছে। তারপর আবার শুরু করা হবে। তবে, ১৪ দিন বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে, পরিযায়ী শ্রমিকদের।”

[ আরও পড়ুন -   বন্যা আর করোনা'র মধ্যেই ফের উত্তপ্ত কেশপুর, গুলি-গোলা-সংঘর্ষে আহত বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী, ভর্তি মেডিক্যালে ]