নিজস্ব প্রতিবেদক, মেদিনীপুর, ১৬ আগস্ট : “সর্পবন্ধু” দেবরাজ চক্রবর্তীর পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এল, মেদিনীপুর কুইজ কেন্দ্র সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ও মেদিনীপুর অটোমোটিভ স্পোর্টস এন্ড এডভেঞ্চার
এসোসিয়েশন। মেদিনীপুর শহরের পালবাড়ি এলাকায় ভাড়া বাড়িতে থাকা বন্যপ্রাণপ্রেমী যুবক দেবরাজ চক্রবর্তীর নেশাই হলো সাপ উদ্ধার করা।সারাদিনে চব্বিশ ঘন্টায় যখনই খবর পান কোথাও সাপ বেরিয়েছে, তখনই ছুটে গিয়ে সাপটিকে উদ্ধার
করে তিনি জঙ্গলে ছেড়ে দেন। এতে যেমন সাপ বেঁচে যাওয়ায় একদিকে জীব বৈচিত্র্যের ভারসাম্য রক্ষা হয়, তেমনি যেখানে সাপটি বেরিয়েছিল সেখানকার বাসিন্দাদের আতঙ্কও কেটে যায়। কিন্তু সাপ ধরার জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত বিজ্ঞান
ভিত্তিক উপকরণ নেই তাঁর কাছে। অন্যদিকে সাপ ধরার নেশায় পেশাগত ভাবে কোন সংস্থায় কাজ টিকিয়ে রাখতেও সমস্যায় পড়তে হয় তাঁকে। বর্তমান সময়ে হাতে সেভাবে কোন কাজ না থাকায়, তিনি যথেষ্ট আর্থিক সমস্যার মধ্যেও রয়েছেন।
বন্যপ্রাণপ্রেমী ফোটোগ্রাফার তথা কুইজ কেন্দ্রের সদস্য অরিন্দম দাস মারফত, দেবরাজের এই সমস্যার কথা পৌঁছে যায় কুইজ কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে। কুইজ কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় কমিটি সিদ্ধান্ত নেয় দেবরাজের পাশে দাঁড়ানোর।সেইমতো
শুক্রবার বিকেলে দেবরাজ চক্রবর্তীর হাতে একজোড়া অ্যান্টি বাইট গ্লাভস এবং কিছু আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন গৌতম বোস, স্নেহাশীষ চৌধুরী, সুভাষ জানা, প্রসূন কুমার পড়িয়া, আল্পনা দেবনাথ বোস, অরিন্দম
দাস, নরসিংহ দাস,শবরী বসু,পায়েল পাল, সুদীপ কুমার খাঁড়া,শুভরাজ আলি খাঁন সহ প্রমুখরা।
পাশাপাশি, দেবরাজের পাশে দাঁড়াতে এগিয়ে এলো আরো একটি সংস্থা। মেদিনীপুর অটোমোটিভ স্পোর্টস এন্ড এডভেঞ্চার এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে শনিবার স্বাধীনতা দিবসের সকালে দেবরাজের হাতে সম্মিলিত আর্থিক সাহায্য তুলে দেওয়া হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন গৌতম ভকত, পূর্ণেন্দু শেখর কালী, অরিন্দম দাস, অভিজিৎ দে, সুজাতা সামন্ত দোলই,আকাশ গাঙ্গুলী,রাজশ্রী মন্ডল, শুভাশীষ গাঙ্গুলী, শুভ্রাংশু শেখর সামন্ত সহ অন্যান্যরা। এর আগে সংস্থার অফিস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন সংস্থার সদস্যা সুজাতা সামন্ত দোলই। পাশাপাশি এদিন মাস্ক বিতরণ কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়।







