শহীদের শেষ শ্রদ্ধায় এসে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া সমালোচনা করে কি বললেন ভারতী ? শুনে নিন

.

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, সবং, ২৯ জুন : সবংয়ের সিংপুরে শহীদ শ্যামল কুমার দে’কে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে এসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করলেন, একদা মুখ্যমন্ত্রী’র অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ পুলিশ আধিকারিক তথা পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার প্রাক্তন পুলিশ সুপার এবং বর্তমানে, রাজ্য বিজেপি’র সহ সভাপতি ভারতী ঘোষ। সঙ্গে রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ তথা সবং এর দীর্ঘদিনের বিধায়ক (বর্তমানে, বিধায়ক তাঁর পত্নী গীতা রাণী ভূঁইয়া) মানস রঞ্জন ভূঁইয়া’ কেও তীব্র বাক্যবাণে বিদ্ধ করলেন।

.

ভারতী দেবী বলেন, “একজন শহীদের শেষকৃত্যে তাঁর শৈশব ও আত্নবলিদানের বিবরণ না দিয়ে, বারবার মুখ্যমন্ত্রীর নামোচ্চারণ করছিলেন ঘোষক মানস ভূঁইয়া। সঙ্গে পঞ্চায়েত সদস্য, পুলিশ সুপার, জেলাশাসকের নাম ঘোষণা করছেন, অথচ বীর শহীদের সম্পর্কে কোনো কথা নেই। মাটিতে শুয়ে আছেন বীর শহীদ, তাঁর সম্পর্কে দুটো কথা বললে মানুষ শুনতো, তা না করে অন্তত একশোবার মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিলেন। মানস বাবু এতো মাখন দেওয়ার কি আছে? লজ্জা করেনা আপনার!”
তিনি আরো কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বললেন, “মদ খেয়ে মারা গেলেও ২ লাখ, আর শহীদ হলেও ২ লাখ! শুধু কাটমানি খেলে, আর নেতাদের পকেট ভরালে হবে? কেন্দ্রকে দেখে শিখুন। ১ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি, শ্যামল কুমার দে’র মতো বীর জওয়ান বাংলার ঘরে ঘরে জন্মগ্রহণ করুন; কিন্তু এরকম মুখ্যমন্ত্রী যেন বাংলায় আর একটিবারও না আসে!” এসব দেখে-শুনে রাজনৈতিক সমালোচকেরা বলছেন, রাজনীতির এমনই লীলা, একদা মুখ্যমন্ত্রীকে ‘জঙ্গলমহলের মা’ সম্বোধনকারিনী ভারতী ঘোষই আজ মুখ্যমন্ত্রীর সবচেয়ে বড় সমালোচক। আর, ভারতী ঘোষের মধ্যস্থতাতেই তৃণমূলে আসা মানস রঞ্জন ভূঁইয়া আজ ভারতীর প্রবল কটাক্ষের মুখে! পাল্টা মানস ভূঁইয়া অবশ্য জানিয়েছেন, “উনি লাঠি নিয়ে পুলিশের কাজ করেছেন, মানুষের হৃদয় দেখার ক্ষমতা নেই! মুখ্যমন্ত্রীর নাম নিয়েছি বেশ করেছি।”

.

জেলা থেকে রাজ্য, রাজ্য থেকে দেশ প্রতি মুহূর্তের খবরের আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক বুক পেজ এবং যুক্ত হোন Whatsapp Group টিতে