দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, ঝাড়গ্রাম, ৪ জুলাই : দীর্ঘ প্রায় এক বছর ধরে সাংসদ কোটার (এমপি ল্যাড) প্রায় ২.৫ কোটি টাকা পড়ে আছে। ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন সহযোগিতা করছে না বলে ওই টাকায় মানুষের উন্নয়নের
কাজ করা যাচ্ছে না, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ করে শুক্রবার ধর্নায় বসেছিলেন ঝাড়গ্রামের সাংসদ কুনার হেমব্রম। বৃহস্পতিবার তিনি, সাংসদ কোটার টাকা খরচের বিষয়ে আলোচনা করার জন্য, ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আয়েশা রানী এ’র
সাথে দেখা করতে গিয়েও, দেখা পাননি। সেদিনই তিনি হুমকি দিয়েছিলেন, জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে ধর্নায় বসবেন। শুক্রবার সেই ধরনা মঞ্চ থেকেই তিনি বললেন, “মানুষের কাজ করার জন্যই সাংসদ হয়েছি। অনেক আশা করে মানুষ আমাকে
জিতিয়েছেন। ৫ বছরে ২৫ কোটি টাকা সাংসদদের দেওয়া হয় মানুষের কাজ করার জন্য। আগের সাংসদ (উমা সরেন), ৫ বছরে মাত্র ৫-১০ লাখ টাকার কাজ করেছেন। আর, আমার সাংসদ কোটার প্রথম বছরের, প্রথম দফার আড়াই (২.৫ কোটি) কোটি টাকা গত
নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসেই ঢুকে গেছে, কিন্তু, জেলা প্রশাসনের তীব্র অসহযোগিতার জন্য সেই টাকার কাজ করা যাচ্ছেনা! মানুষকে কি জবাব দেব? অবিলম্বে, জেলা প্রশাসন সহযোগিতার হাত না বাড়ালে, জঙ্গলমহল অচল করে দিয়ে তীব্র আন্দোলন
গড়ে তোলা হবে।”
সাংসদ কুনার হেমব্রম এও বললেন, লোধা-শবর, আদিবাসী অধ্যুষিত অনুন্নত জেলা ঝাড়গ্রামে মানুষের জন্য প্রচুর কাজ করার আছে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যালয়, পানীয় জল অনেক কিছুই পড়া যায় এই টাকাতে, কিন্তু জেলা প্রশাসন
নীরব! শুধু তাই নয়, ঝাড়গ্রামের সাংসদের আরো বিস্ফোরক অভিযোগ, “গত ৩০ জুন একটা হুল দিবস পালন করতেই ২ কোটি টাকা খরচ করে ফেলল রাজ্য সরকার। সে করুক, ওনাদের অনেক টাকা, কথায় কথায় কোটি কোটি টাকা খরচ করেন! কিন্তু,
আমার সাংসদ কোটার এই সামান্য টাকা খরচ করার বিষয়ে দয়া করে উদ্যোগ গ্রহণ করুন। নাহলে জঙ্গলমহল অচল হলে, তার দাড়ি নিতে হবে রাজ্য সরকার ও জেলা প্রশাসনকে।”
সাংসদ জানিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত জেলাশাসক অথবা জেলা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনরকম রেসপন্স আসেনি। দ্য বেঙ্গল পোস্ট এর পক্ষ থেকে জেলাশাসকের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও, তাঁর ফোন ব্যস্ত থাকায়, এই বিষয়ে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।







