নার্সিং ছাত্রী এবং এক যুবকের চিকিৎসার প্রয়োজনীয় অর্থ তুলে দিয়ে আবারও মানুষের পাশে “মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ”

বিশেষ প্রতিবেদন, মেদিনীপুর, ২২ জুলাই : আবারও মানবিক মুখ “মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ” এর। এবার, দুটি দরিদ্র পরিবারের দুই সন্তানের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন তাঁরা। বাঁকুড়া জেলার ক্যান্সার আক্রান্ত সুস্মিতা লোহার ও পূর্ব মেদিনীপুর জেলার  কিডনির সমস্যায় আক্রান্ত অমিত দাসের চিকিৎসার জন্য আর্থিকভাবে পাশে দাঁড়ালো “মেদিনীপুর ছাত্রসমাজ”। বাঁকুড়া জেলার কনিয়ারী গ্রামের বাসিন্দা এবং মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে নার্সিং পাঠরতা সুস্মিতা লোহার ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য কলকাতার টাটা মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তাঁর অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজন ছিলো চার লক্ষ টাকা। পাশাপাশি,পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পাঁশকুড়ার পার্শ্ববর্তী সিদ্ধা গ্রামের বি.এড পাঠরত পিতৃহারা অমিত দাসের দুটো কিডনিই বিকল। ডায়ালিসিস,ঔষধপত্র ও অন্যান্য চিকিৎসার জন্য বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন।

দ্য বেঙ্গল পোস্ট
অমিত দাসের পাশে মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ :

আর্থিক অনটনের কারণে দুই দুঃস্থ পরিবারের পক্ষে সেই অর্থের জোগাড় সম্ভবপরও ছিলো না। সুস্মিতার তৎকালীন অস্ত্রোপচার ও অমিতের চিকিৎসার জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মেদিনীপুর ছাত্রসমাজের মানবিক আবেদনে অসংখ্য মানুষ এগিয়ে আসেন ও আর্থিকভাবে সহায়তা করেন। সংগৃহিত অর্থ তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয় মেদিনীপুর ছাত্রসমাজের সদস্য-সদস্যারা। বর্তমানে সুস্মিতা লোহারের অপারেশন ভালোভাবেই সম্পূর্ণ হয়ে তিনি বাড়িতে ফিরে গেছেন। সুস্থ রয়েছেন অমিতও। এই প্রসঙ্গে, মেদিনীপুর ছাত্রসমাজের সভাপতি কৃষ্ণগোপাল চক্রবর্ত্তী বলেন,”বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে পথে না নেমে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং এর মাধ্যমে আমরা যে বিপুল পরিমান অর্থ সুস্মিতা ও অমিতের কাছে পৌঁছে দিতে পেরেছি তার জন্য সকল শুভানুধ্যায়ী এবং সহৃদয় মানুষজনের কাছে আমরা চিরকৃতজ্ঞ।”
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
সুস্মিতা লোহার পাশে মেদিনীপুর ছাত্র সমাজ :

[ আরও পড়ুন -   "মানুষের জন্য কাজ করতে পারছিনা, পড়ে আছে উন্নয়নের টাকা, এরকম চললে জঙ্গলমহল অচল করে দিয়ে আন্দোলন শুরু হবে", বললেন ঝাড়গ্রামের সাংসদ ]