ফের মেদিনীপুরে এল “ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস”! ত্রিনভের কীর্তিতে মুগ্ধ‌ হবেন আপনিও

thebengalpost.in
অনির্বাণ দাস ও সুবর্ণা দাস এর সঙ্গে ত্রিনভ (আনসু) :

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৯ এপ্রিল: ফের মেদিনীপুরে পৌঁছল “ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস'” দিনকয়েক আগেই সাত বছরের সমৃদ্ধি মাতব্বর তার বহুমুখী প্রতিভায় জিতে নিয়েছিল ‘ইন্ডিয়া বুক রেকর্ডস’ পুরস্কার। এবার, সাড়ে চার বছরের ‘বিস্ময় বালক’ ত্রিনভ দাস তার অসামান্য কীর্তির পরিচয় দিয়ে ছিনিয়ে নিল “ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস”। মেদিনীপুর শহরের ডাকবাংলো রোডের বাসিন্দা পেশায় শিক্ষক অনির্বাণ দাস এবং গৃহবধূ সুপর্ণা দাসের একমাত্র পুত্র ত্রিনভ (আনসু)। বয়স মাত্র ৪ বছর ৬ মাস। নার্সারি ক্লাসে পড়ে। তবে, পড়াশোনার পাশাপাশি আনসুর রয়েছে একাধিক প্রতিভা। বাড়িতে, রাস্তা ঘাটে, স্কুলে যা দেখে, তায় এঁকে ফেলতে পারে নিমেষের মধ্যে! শুধু তাই নয়, অনায়াসে ১২ রকমের গাণিতিক (ম্যাথমেটিকাল শেপ) চিত্র এঁকে ফেলা তার বাম-হাতের খেল! হ্যাঁ, লেফ্টি (বামহাতি) আনসু জীবজন্তু, পশু-পাখি, যানবাহন, শাক-সবজি, শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এমনকি জাতীয় প্রতীক (সিম্বল) ও ফুল-ফলের নাম অনায়াসে বলতে পারে, লিখতে পারে এবং এঁকে ফেলতেও পারে।

thebengalpost.in
অনির্বাণ দাস ও সুবর্ণা দাস এর সঙ্গে ত্রিনভ (আনসু) :

মোবাইলে খবর পেতে জয়েন করুন
Whatsapp Group এ

ক্ষুদে ওস্তাদ আনসু’র এই সমস্ত কারসাজি নাকি শুরু হয় রাত্রি ১২ টার পর! তার বাবা-মা জানাল, “রাত ১২ টার পর ওর লেখা আর আঁকার জেদ চেপে বসে। চলে রাত্রি দু’টো – আড়াইটা অবধি।” বেশ বোঝা যাচ্ছে, আনসু তার বয়সী ছেলে-মেয়েদের থেকে সব বিষয়েই ‘এক কদম’ আগে! লম্বা চুলের, শান্তশিষ্ট আনসু’কে দেখলে যদিও অনুধাবন করা সম্ভব নয়, তার সুপ্ত প্রতিভা সম্পর্কে। তবে, তার শিক্ষক বাবা অনির্বাণ দাস আর মা সুপর্ণা’র নজর এড়িয়ে যায়নি আনসু’র বিচিত্র কান্ড-কারখানা! তাই, গত মার্চ মাসে তাঁরা অনলাইনে আবেদন করেন ইন্ডিয়া বুক অব রেকর্ডে। যাবতীয় তথ্য প্রমাণাদি পাঠানোর পরে আনসু যোগ্য রূপে বিবেচিত হয়। বুধবার (৭ এপ্রিল) তার বাড়িতে পৌঁছে যায়- সার্টিফিকেট, মেডেল, ব্যাচ, বই ও পেন। খুশির হাওয়া তাই দাস পরিবারে!

thebengalpost.in
ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস (India Book of Records) :

আরও পড়ুন -   প্রথম সারির করোনা যোদ্ধা সহ মেদিনীপুরে ২১, খড়্গপুরে ৩৩, ডেবরায় ১৮ জন সংক্রমিত, শালবনী, গড়বেতা, দাঁতন সহ জেলায় ২০৬, মৃত্যু ৪ জনের