দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, ঝাড়গ্রাম ও পূর্ব মেদিনীপুর, ১৬ নভেম্বর: করোনা আবহে কার্যত থমকে গেছে পৃথিবী। আনন্দ উৎসবের সেই প্রাণবন্ত দিনগুলি আজ যেন হারিয়ে গিয়েছে কোথাও! তবে, পুজোর আনন্দ ও উৎসব এবার ঘরে বসেই অনুভব করলেন, একদা মাও অধ্যুষিত লালগড়ের চ্যামিটাড়া গ্রামের মানুষজন। সৌজন্যে, চ্যামিটাড়া নবীন সংঘ। অভিনব উদ্যোগ গ্রহণ করে, ক্লাবের সদস্যরা আলোর উৎসবকে মানুষের বাড়িতে পৌঁছে দিলেন। রবিবার সকাল থেকেই সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রায় সমস্ত গ্রাম চষে বেড়িয়ে বাড়িতে বাড়িতে শ্যামা মায়ের প্রসাদ ও মিষ্টি পৌঁছে দিল, ক্লাবের খুদে সদস্যরা। সকাল সকাল প্রসাদ পেয়ে খুশি গ্রামবাসীরাও। গ্রামবাসীরা মনে করছেন, “এ বছর পুজো মন্ডপে আমরা না যেতে পারলেও চ্যামিটাড়া নবীন সংঘের কচিকাঁচা সদস্যরা পুজো অর্থাৎ এই আলোর উৎসবকে আমাদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছে। তাদের এই অভিনব আয়োজন উৎসবের এক নতুন সংজ্ঞা সৃষ্টি করেছে।”

অপরদিকে, দীপাবলি উৎসবকে সামনে রেখে, শীতের প্রাক্কালেই, অসহায় ও দুঃস্থ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের ঠান্ডার হাত থেকে সামান্য মুক্তি দিতে, শীতবস্ত্র বিতরণ ও এলাকার মানুষজনকে সচেতনত করার জন্য একটি স্টলের আয়োজন করে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমারের “পাশে আছি” বন্ধু গ্রুপের যুবকরা। রবিবার তারা নন্দকুমার থানার অন্তর্গত বহিচবেড়িয়া গ্রামে ৭০ জন দুঃস্থ ও বয়স্ক মানুষের হাতে শীতবস্ত্র তুলে দেন। আমফানের প্রভাব ও কোভিড পরিস্থিতিতে পড়ে গ্রামাঞ্চল এলাকায় দুঃস্থ পরিবার গুলি এখন আর্থিক সমস্যার দিন কাটাচ্ছেন। সেই সব পরিবারগুলির কথা ভেবেই এই উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন, উদ্যোক্তারা। উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজসেবী সত্যপ্রসাদ ব্যানার্জী, চকচাঁদপোতা গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য গোবিন্দ সামন্ত, ডঃ রফিকুল ইসলাম, বহিচবেড়িয়া গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্য সেক আবরার আলি, তপন মাইতি, মদন গুছাইৎ, ডঃ রফিকুল ইসলাম, সেক জালালউদ্দিন, শ্রীকৃষ্ণ মাইতি সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ। পাশে আছি বন্ধু গ্রুপের এই কর্মকাণ্ডকে কুর্নিশ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।






