দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, ঝাড়গ্রাম, ১৪ অক্টোবর: “জঙ্গলমহলে আবারও মাওবাদ আর আতঙ্কবাদ বিস্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে” বলে অভিযোগ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর), ঝাড়গ্রাম জেলার শিলদায় আয়োজিত দলীয় জনসভাতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই অভিযোগ করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন, “বিজেপি জঙ্গলমহলে হিংসার রাজনীতি শেষ করে, শান্তি বিস্তার করতে চায়।” একইসাথে, এই অঞ্চলে যারা নকশালী বা মাওবাদী কাজকর্মে লিপ্ত আছেন, তাদের তিনি রাষ্ট্রের মূল ধারার সঙ্গে তারা যুক্ত হয়ে, দেশের উন্নতিতে সামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বংশপরম্পরায় এই এলাকায় বসবাস করা সত্ত্বেও আদিবাসীদের জমির পাট্টা না পাওয়া প্রসঙ্গে শ্রী বিজয়বর্গীয় বলেন, “আদিবাসীরা ৭০ বছর ধরে এখানে বসবাস করছেন কিন্তু জমির পাট্টা এখনও পাননি! রাজ্যে বিজেপি’র সরকার গঠিত হলে, জমির পাট্টা ও পাকা বাড়ি পাওয়া থেকে একজন আদিবাসীও বঞ্চিত থাকবে না।”

অপরদিকে, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায় রাজ্য সরকার তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে মন্তব্য করেন, “আমি আজ নয়, যখন তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলাম, ২০১৩ সালে এসেও জঙ্গলমহলের যুবকদের মুখ থেকে শুনেছিলাম, দাদা আমরা ২ টাকার চাল নয়, কর্মসংস্থান চাই। আর আজ ২০২০ তে এসেও সেই একই কথা শুনছি! রাজ্যে কর্মসংস্থান নেই, প্রতিটি ক্ষেত্রে দুর্নীতি আছে। বেকার যুবক যুবতীরা এর জবাব দেবে। আজকের সভায় আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থেকে সেটা বোঝা গেল।” অপরদিকে, বিজেপির রাজ্য সহ-সভাপতি ভারতী ঘোষ বললেন, “উনি অনেক শ্রী দিচ্ছেন, এবার ওনার সরকারকে আমরা ‘দুর্নীতিশ্রী’ পুরস্কার দিতে চাই।” এদিনের যোগদান সভায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে আসা কর্মী-সমর্থকদের হাতে বিজেপি’র পতাকা তুলে দেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায় ও ভারতী ঘোষ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সাংসদ কুনার হেমব্রম, ঝাড়গ্রাম জেলা বিজেপির সভাপতি সুখময় সৎপথী সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।






