সারা দেশে আজ করোনা আক্রান্তের সংখ্যা চোখ কপালে তুলেছে অনেকেরই! একদিনে আক্রান্ত প্রায় পাঁচ হাজার (৪৯৮৭), মৃত্যু ১২০ জনের। আরো ভয়ঙ্কর খবর হল, চীনকে টপকে লাখ ছুঁই ছুঁই ভারতের মোট আক্রান্তের সংখ্যা, মৃত্যু প্রায় ৩০০০ জনের কাছাকাছি। তাই, চতুর্থ দফার লকডাউন ঘোষণার দিনই এই খবর যথেষ্ট আশঙ্কার। তা সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতির কথা চিন্তা করে, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই লকডাউন শিথিল হয়েছে। সর্বোপরি, সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত নির্দিষ্ট সংখ্যক প্যাসেঞ্জার নিয়ে যাত্রী পরিবহনেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। তাই, শুধুমাত্র নাইট কারফিউতে যে সংক্রমণ কমানো সম্ভব নয়, তা বলাই বাহুল্য! ভিন রাজ্য থেকে যে যার নিজেদের রাজ্যে ফিরছেন আমাদের হাজার হাজার শ্রমিক বন্ধুরাও। এই পরিস্থিতিতে, শুধু প্রশাসন বা স্বাস্থ্য দপ্তর নয়, প্রত্যেকেরই দরকার আত্ম-সচেতনতা। সাবধানতা অবলম্বন করেই, সংক্রমণ কিছুটা রুখে দেওয়া সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আজ, আমাদের রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, ১০১ জন এবং মৃত ৬ জন।
এদিকে, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ সহ রাজ্যের প্রতিটি (২২ টি) টেস্টিং ল্যাবরেটরিতেই কোভিড টেস্টের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য ভবনের রিপোর্ট অনুযায়ী, গতকাল অর্থাৎ শনিবার মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে প্রায় এক হাজার টেস্ট হয়েছে। সবমিলিয়ে, প্রায় সাড়ে সাত হাজার টেস্ট (রাজ্যের বুলেটিন অনুযায়ী) হয়েছে (২৪ মার্চ থেকে), মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের ল্যাবরেটরিতে।
এদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন-২ ব্লকের বামনাসাই গ্রাম আজ প্রশাসনের উদ্যোগে স্যানিটাইজ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, গতকাল (শনিবার) গ্রামের এক মধ্যবয়স্ক (৪৬) ট্যাক্সি চালকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ঐ ব্যক্তি কলকাতাতে ট্যাক্সি চালাতেন বলে জানা গেছে। মাত্র দু-একদিন আগেই তিনি নিজের বাড়িতে ফিরেছিলেন বলেও জানা গেছে। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ গিরিশ চন্দ্র বেরা জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তির সংস্পর্শে থাকা পরিবার-পরিজনদেরও করোনা পরীক্ষা করা হবে।
অপরদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম জেলায় আজ নতুন কোনো আক্রান্ত নেই বলেও জানা গেছে বিশ্বস্ত সূত্রে।







