দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ৪ মার্চ: জঙ্গলমহল পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একদা মাও অধ্যুষিত শালবনী বিধানসভার সিপিআইএম প্রার্থী হতে চলেছেন, দাপুটে সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষ। সমালোচকেরা বলেন, তাঁর নামে বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেতে একসময়! সেই সুশান্তই এবার শালবনীতে সিপিআইএমের প্রার্থী হতে চলেছেন। আর, গড়বেতায় প্রার্থী হচ্ছেন, তাঁর ছায়াসঙ্গী তপন ঘোষ। এদিকে, প্রার্থী ঘোষণা না হলেও, দলের তরফে সবুজ সংকেত পেয়ে গ্রামে-গ্রামে, পাড়ায়-পাড়ায় নিবিড় জনসংযোগ শুরু করে দিয়েছেন বাম আমলের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা দোর্দন্ডপ্রতাপ নেতা সুশান্ত।

দলীয় কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বাড়ানোর উদ্দেশ্যে, গতকাল রাজ্যের প্রাক্তন পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী একযোগে আক্রমণ করেছেন, মাওবাদী-তৃণমূল-বিজেপিকে। সুশান্তের একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই ভাইরালও হয়েছে, যা নিয়ে রাজ্য-রাজনীতিতে রীতিমতো চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ডিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শালবানীর একটি গ্রামে দাঁড়িয়ে সুশান্ত কয়েকজন মহিলা কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলছেন, “মাওবাদীরা জানে সুশান্ত ঘোষ কে! তৃণমূল আর বিজেপির বাপ-ঠাকুরদাও জানে। এতদিন যা করেছে করেছে। আমি ছিলাম না, তাই মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারিনি। এখন কারও গায়ে যদি হাত পড়ে, সোজা গাঁয়ে যাব। যে এই কাজ করবে, তাকে সোজা ঘর থেকে তুলে নিয়ে এসে হাত-পা ভেঙে আমিই চিকিত্সা করাব।” আজ এই নিয়ে সুশান্ত ঘোষ’কে প্রশ্ন করা হলে, তিনি সাফাই দিয়ে বলেন, কর্মীদের মনোবল বাড়াতেই এরকম বলেছেন তিনি। কারণ ২০১৬ সালের নির্বাচনে গ্রামের মানুষদের উপর অন্যায় অত্যাচার করা হয়েছে। অনেকের হাত-পা ভেঙে দিয়েছে, জরিমানা করেছে। গণতন্ত্রে এক তরফা খেলা হয়না। তাই গ্রামের কর্মীদের সাহস যোগাতে এগুলো বলতে হয়েছে। তবে এ নিয়ে সুশান্ত ঘোষ’কে পাল্টা আক্রমণ করেছে তৃণমূল-বিজেপি।








