বছর ছয়েক পর অনুষ্ঠিত প্রাইমারি টেট নির্বিঘ্নেই, বজ্র আঁটুনিতেও ‘প্রশ্নপত্র’ ছড়িয়ে পড়ল মোবাইলে মোবাইলে

বিজ্ঞাপন

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, কলকাতা, ৩১ জানুয়ারি: ২০১৫ সালের পর ২০২১। প্রায় ৬ বছর পর প্রাইমারি টেট পরীক্ষা দিলেন রাজ্যের চাকরি প্রার্থীরা। এবারের টেট (Primary Tet 2017) পরীক্ষা দিলেন রাজ্যের প্রায় আড়াই লক্ষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থী। যদিও করোনা আবহের মধ্যে প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রেই পরীক্ষার্থীরা কমবেশি অনুপস্থিত থেকেছেন। তবে, প্রশাসনের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু পরীক্ষাকেন্দ্রে নজরদারি সবকিছুই ছিল প্রত্যাশামতোই। মাস্ক ছাড়া পরীক্ষার্থীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ছিল স্যানিটাইজার ও শরীরের তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থাও।

thebengalpost.in
মোবাইলে (হোয়াটসঅ্যাপ মাধ্যমে) আসা প্রশ্ন (যাচাই করেনি দ্য বেঙ্গল পোস্ট) :

বিজ্ঞাপন

[ আরও পড়ুন -   "দিদি তুমি মায়ের মতো, আমরা আছি বারো শতো", টেট উত্তীর্ণ ও ট্রেনিং প্রাপ্ত ১২০০ প্রার্থীর স্লোগানে কাঁপল মেদিনীপুর ]

পরীক্ষাকেন্দ্রে মুঠোফোন বা মোবাইল ব্যবহারে ছিল কড়া নিষেধাজ্ঞা। পরীক্ষার পর ‘প্রশ্নপত্র’বাইরে নিয়ে আসতেও দেওয়া হয়নি। এতসবের পরও, প্রাইমারি টেটের প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ল মোবাইলে মোবাইলে। যদিও, আসল প্রশ্ন কিনা দ্য বেঙ্গল পোস্ট যাচাই অরেনি, তবে বেশিরভাগ পরীক্ষার্থীর মতে আসল প্রশ্ন! অনেকেই অভিযোগ করছেন, পরীক্ষা শুরুর এক ঘন্টার মধ্যেই প্রশ্নপত্র পৌঁছে গেছে মোবাইলে মোবাইলে। তবে, বেঙ্গল পোস্টের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে প্রশ্নপত্র এসেছে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরই। একইসাথে, বেশিরভাগ পরীক্ষার্থী এই অভিযোগও করছেন, প্রশ্ন বেশ কঠিন হয়েছে এবং অঙ্কের (Mathematics) পার্টে কোনও প্যাডাগগি (Pedagogy) বা শিক্ষাবিজ্ঞান মূলক প্রশ্ন ছিলনা। এখনও এইসব বিষয়ে কর্তৃপক্ষের তরফে কোনও বিবৃতি পাওয়া যায়নি, তবে কড়া নজরদারি সত্ত্বেও কিভাবে প্রশ্ন বাইরে এল তা নিয়ে জল্পনা চলছে।

[ আরও পড়ুন -   টেটে বসতে পারবেন শুধু মামলাকারীরা, বাকি ডিএলএড প্রার্থীরা আগামীকাল ফের হাইকোর্টে ]