মেদিনীপুর সদর ব্লকে কংসাবতী নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলা’র বস্তাবন্দী মৃতদেহ উদ্ধার

.

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, মেদিনীপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর: কংসাবতী নদী’তে ভেসে যাওয়া একটি বস্তাবন্দী মৃতদেহ উদ্ধার করা হল আজ (বৃহস্পতিবার)। মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম দুই জেলার মধ্যবর্তী, ফরিকচক (ধনেশ্বরপুর) এলাকা থেকে মৃতদেহ’টি উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে, স্থানীয় সূত্রে। দুই জেলার মধ্যবর্তী স্থান হওয়ায়, কোন থানার পুলিশ তা উদ্ধার করবে তা নিয়ে প্রায় ঘন্টা দুয়েক টালবাহানার পর, মেদিনীপুর সদর ব্লকের গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশ গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় মৃতদেহটি উদ্ধার করে। অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার মৃতদেহটি বস্তার মধ্য থেকে, সম্পূর্ণ বিকৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়দের অনুমান, অন্তত ৮-১০ দিন আগে অজ্ঞাত পরিচয় ওই মহিলার মৃত্যু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, খুন করে বস্তাবন্দী করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে বছর ৩৫-৪০ (আনুমানিক) এর এই মহিলাকে।

thebengalpost.in
গুড়গুড়িপাল থানা (ইনসেটে মেদিনীপুর মেডিক্যালের মর্গ) :

.

মণিদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন ফরিকচক (ধনেশ্বরপুর) এলাকা থেকে, আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে, গ্রামবাসীদের তৎপরতায় নদীতে ভেসে যাওয়া ঐ বস্তাটি চরে তোলা হয়।‌ স্থানীয়দের সন্দেহ হওয়ায়, গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান অঞ্জন বেরা’কে তাঁরা খবর দেন। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে আসেন এবং পুলিশে খবর দেন। কিন্তু, এলাকাটি নিয়ে টালবাহানা চলে কিছুক্ষণ। তারপর, নিশ্চিত হয়ে গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশ বস্তাবন্দী মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যান। নির্দিষ্ট কোন অভিযোগকারী না থাকায়, মনিদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান অঞ্জন বেরা প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে এফ আই আর (FIR) করেন গুড়গুড়িপাল থানায়। অঞ্জন বাবু বলেন, “মেদিনীপুর সদর ব্লকের ধনেশ্বরপুর এবং ঝাড়গ্রাম জেলার চিতলবনী এলাকার প্রায় মধ্যবর্তী স্থান থেকে দেহটি উদ্ধার হয়। অজ্ঞাত পরিচয় ওই মহিলার বস্তাবন্দী মৃতদেহটি উদ্ধার করে গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশ। আমিই একটি এফ আই আর (FIR) রুজু করেছি প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় বাসিন্দা হিসেবে। মৃতদেহটি, দুপুরেই ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেয় গুড়গুড়িপাল থানার পুলিশ।”

thebengalpost.in
উদ্ধার হওয়া মৃতদেহ :

.
.

জেলা থেকে রাজ্য, রাজ্য থেকে দেশ প্রতি মুহূর্তের খবরের আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক বুক পেজ এবং যুক্ত হোন Whatsapp Group টিতে