রণক্ষেত্র রাজপথ! উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র, রং মেশানো জলকামান, রক্তবমি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়ের

.

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, কলকাতা, ৮ অক্টোবর : বিজেপি যুব মোর্চার নবান্ন অভিযান ঘিরে রণক্ষেত্র কলকাতার রাজপথ! নবান্ন শূন্য করে দেওয়া হলেও, মিছিল আটকাতে তৎপর ছিল পুলিশ। ইঁটবৃষ্টি, ধস্তাধস্তি, জলকামান, টিয়ার গ্যাস সবকিছুই হল। হাওড়া ময়দানে, এক বিজেপি কর্মীর কাছ থেকে পুলিশ উদ্ধার করলো আগ্নেয়াস্ত্র। অপরদিকে, রং মেশানো জলকামান প্রয়োগ করা হল পুলিশের তরফ থেকে। বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় গুরুতর আহত হয়ে রক্তবমি করেন। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে অ্যাপেলো হাসপাতালে। কম-বেশি আহত হয়েছেন, বিজেপির সর্বভারতীয় যুব মোর্চা সভাপতি তেজস্বী সূর্য, কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেনন সহ অনেকেই। বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করলেন, “পুলিশ শান্তিপূর্ণ মিছিলে রাসায়নিক মেশানো জলকামান ছুঁড়েছে, বিনা প্ররোচনায়। রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়সহ আমাদের সর্বভারতীয় নেতা কর্মীরা আহত হয়েছেন।”

thebengalpost.in
আহত রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় :

.

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, চারটি মিছিলে ভাগ হয়ে আজ নবান্ন অভিযান করে বিজেপি। প্রথম তিনটি মিছিল ঘিরেই ব্যাপক অশান্তি শুরু হয়। পুলিশের অভিযোগ মিছিল থেকে ইঁট বৃষ্টি করা হয়, ব্যারিকেড ভাঙা হয়। হাওড়া ময়দানে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি চলাকালীন এক বিজেপি কর্মীর কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়। বিজেপি নেতৃত্ব জানিয়েছে, উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্রটির লাইসেন্স আছে। ওটি এক নেতার দেহরক্ষীর। অপরদিকে, চতুর্থ মিছিলটি বের হয়, সদর দফতর থেকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে। সেই মিছিল ঘিরে অশান্তি তুলনামূলক কম হয়। দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমার শরীরে আঘাত না লাগলেও, মনে আঘাত লেগেছে। অসংখ্য কর্মী সমর্থক আঘাত পেয়েছেন। আর, পুলিশ যে আগ্নেয়াস্ত্রটি বাজেয়াপ্ত করেছে, তা আমাদের এক নেতার দেহরক্ষীর। ওটির লাইসেন্স আছে।” এদিকে, বিজেপি যুব মোর্চার সর্বভারতীয় সভাপতি তেজস্বী সূর্য বলেন, “সারা রাজ্যে আমাদের ১২০’র বেশি কার্যকর্তাকে খুন করা হয়েছে। শাসকদল তৃণমূলকে বাংলা থেকে অমারা উপড়ে ফেলবোই।”

thebengalpost.in
হাওড়া ব্রিজে ধুন্ধুমার :

.
.

জেলা থেকে রাজ্য, রাজ্য থেকে দেশ প্রতি মুহূর্তের খবরের আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক বুক পেজ এবং যুক্ত হোন Whatsapp Group টিতে