বিশেষ প্রতিবেদন, সায়নী দাশগুপ্ত, ১০ অক্টোবর: এদেশে নারীরা যে আজও সুরক্ষিত নয়, সেটা আরো একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল এই সমাজ। সম্প্রতি, উওরপ্রদেশের হাথরাস গণধর্ষণ কাণ্ডে গোটা দেশ এখনও উওপ্ত।
যোগী প্রশাসনের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছে সারা দেশ। এই পরিস্থিতিতে, আজ (শনিবার) কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বেশ কিছু নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রতিটি রাজ্য
ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সেই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠানোও হয়েছে বলে জানা গেছে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে দ্রুত ও কড়া শাস্তির নিদান কেন্দ্র সরকারের :
বিজ্ঞাপন
*এই নির্দেশিকায় বলা হয়েছ :* ১. নারী নির্যাতন কিংবা ধর্ষণের ঘটনা ঘটলে, প্রথমেই পুলিশকে দ্রুত এফআইআর নিতে হবে। দু’মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতেই হবে। ২. দুষ্কৃতীদের ধরতে প্রয়োজন হলে জাতীয় ডেটাবেসও
ব্যবহার করতে পারেন তদন্তকারীরা। ৩. এই মামলায় কোন থানার অন্তর্গত এলাকায় ধর্ষণ হয়েছে, সেই সব খতিয়ে দেখার দরকার নেই, যে কোনও থানাতেই এফআইআর (FIR) করা যেতে পারে। ৪. এফআইআর দায়েরের ক্ষেত্রে কোনো
পুলিশকর্মী যদি গড়িমসি করে এবং সেই অভিযোগ যদি সত্য প্রমাণিত হয়, তবে সেই পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ৫. যে নারী ধর্ষণ বা হেনস্তার স্বীকার হবেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে কোনো সরকারি চিকিৎসকের
মাধ্যমে তাঁর শারীরিক পরীক্ষা করাতে হবে। ৬. মৃত্যুর আগে নির্যাতিতা কোনো বয়ান দিয়ে গেলে, সেটি প্রমাণ হিসেবে মান্যতা দিতে হবে। ৭. এছাড়াও, প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল সেক্স্যুয়াল অ্যাসল্ট
এভিডেন্স কালেকশন কিট এবং ফরেনসিক টিমকে ব্যবহার করতে পারে। নির্দেশিকা মানতে বাধ্য রাজ্য সরকার : ধর্ষণের বিরুদ্ধে কেন্দ্র সরকারের নির্দেশিকা:
ধর্ষণের বিরুদ্ধে কড়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের : কেন্দ্রের তরফে জারি করা এইসব নির্দেশিকা বাধ্যতামূলকভাবে মানতেই হবে, না হলে উপযুক্ত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলেও স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।