দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, কলকাতা, ২৩ জানুয়ারি: “নেতাজি”, যে নামে আজও উদ্বেল হয় দেড়শো কোটি ভারতবাসী! ‘দেশনায়ক’ সেই সুভাষচন্দ্র বসু’র ১২৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে এই মুহূর্তে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে এক স্মরণীয় অনুষ্ঠানে একসাথে উপস্থিত আছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় সহ কেন্দ্র ও রাজ্যের একাধিক শীর্ষ স্থানীয় ব্যক্তিত্ব। উপস্থিত আছেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রফুল্ল পটেল, বাবুল সুপ্রিয়। আছেন, আজাদ হিন্দ বাহিনী’র জীবিত সদস্য, পরিবারের সদস্য-সদস্যা থেকে শুরু করে সারা দেশের একাধিক বিখ্যাত শিল্পীরা। ‘গুমনামি’ সিনেমার ‘সুভাষ জি’ গান হোক কিংবা ‘ও আমার দেশের মাটি’ বা ‘একলা চলো রে’ রবীন্দ্র সংগীত বা দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ‘ধন ধান্য পুষ্প ভরা’- সংগীত, মুগ্ধ-বিবশ হলেন প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। এরপর মূল অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষণ দিতে উঠলেই ‘জয় শ্রীরাম’স্লোগান ওঠে! ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী ভাষণ না দিয়ে শুধুই ‘জয় হিন্দ, জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে নেমে পড়েন এবং আক্রমণ করেন অনুষ্ঠানের গুরুত্ব এভাবে নষ্ট করার জন্য! তিনি বলেন, “কাউকে আমন্ত্রণ জানিয়ে, এভাবে অপমান করা উচিৎ নয়।” প্রধানমন্ত্রী’র সম্মুখেই গর্জে ওঠেন মমতা এবং বক্তৃতা না দিয়েই মঞ্চ থেকে নেমে আসেন।

এর আগে, একসাথে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ঘুরে দেখেন প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপাল। প্রধানমন্ত্রী’কে উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রী’র সঙ্গে সাক্ষাৎকারী বিজেপি’র প্রতিনিধি দলে স্থান পেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীও। দিলীপ ঘোষ, মুকুল রায়, কৈলাস বিজয়বর্গীয় দের সাথে শুভেন্দুও প্রধানমন্ত্রী’র সাক্ষাৎ পেয়ে আপ্লুত। কিছুক্ষণের মধ্যেই ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রথম পরাক্রম দিবসে তিনি কি ঘোষণা করেন সেদিকেই তাকিয়ে আপামর দেশবাসী ও বঙ্গবাসী। অন্যদিকে, আজ সকালে রাজ্য সরকারের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি জানিয়েছেন, শুধু দিল্লি কেন কলকাতা সহ দেশের চার প্রান্তে চারটি রাজধানী করার বিষয়ে। পক্ষে ও বিপক্ষে ইতিমধ্যে নানা মত ও বিতর্ক উঠে এসেছে। উল্লেখ্য যে, ১৯১১ সালে দেশের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল।







