অতিমারীর মধ্যে এবারও বাড়িতেই ঈদের নামাজ! মেহেন্দি হাতে, নতুন জামায় মনের আনন্দে মেতে উঠছে মেদিনীপুর

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, মেদিনীপুর, ১৪ মে: আজ খুশির ঈদ! ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব। তবে, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে উৎসব প্রিয় বাঙালি দুর্গাপুজোর মতোই পবিত্র ঈদ উৎসবকে বরণ করে নেয় আবেগ আর ভালোবাসা দিয়ে। আর, করোনা মহামারীর প্রেক্ষাপটে পবিত্র সেই ঈদ উৎসবের রঙ অনেকটাই ফিকে, এই নিয়ে পরপর দু’বছর! ২০২০’র মার্চ থেকে সেই যে করোনা দৈত্যের দাপাদাপি শুরু হয়েছিল, মাঝখানে মাস চারেক বিরাম দিয়ে ফের তা দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে হাজির হয়েছে! তাই, আগের বছর মে মাসে যেযন দেশ জুড়ে চলা লকডাউনের মধ্যে বাড়িতে বসেই ঈদের নামাজ পড়তে হয়েছিল, এবারও সেই মে মাসেই করোনার ভয়াবহ সংক্রমণের দৌরাত্ম্যে বাড়িতে বসেই ঈদের নামাজ পড়ার নিদান দেওয়া হয়েছে প্রশাসন এবং ধর্মগুরু তথা ধর্মীয় কমিটিগুলোর পক্ষ থেকে। মেদিনীপুর মুসলিম কমিটি বুধবার (১২ মে) দিনই লিখিত বিবৃতি জারি করে মেদিনীপুর বাসীর কাছে এই আবেদন রেখেছে। একই সঙ্গে কোভিড বিধি মেনে বাড়িতেই ঈদ উৎসব পালনের কথা বলেছেন তাঁরা। মাস্ক পরে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিজেরা সুস্থ থেকে, পরিবার-পরিজন ও পুরো সমাজকে সুস্থ-সুন্দর রাখার আবেদন জানানো হয়েছে লিখিত বিবৃতির মাধ্যমে।

thebengalpost.in
চলছে মেহেন্দি লাগানো :

thebengalpost.in
দু’হাতে :

মোবাইলে খবর পেতে জয়েন করুন
Whatsapp Group এ
thebengalpost.in
ঈদের কেনাকাটা :

এদিকে, ঈদকে ঘিরে করোনা বিধি এবং করোনা আতঙ্ক থাকলেও, হৃদয়ের আনন্দ কি আর কেড়ে নেওয়া যায়! তাই, নতুন জামা-কাপড় পরে, সুন্দর সাজে সজ্জিত হয়ে বাড়িতেই থেকেই “ঈদ উৎসব” কে বরণ করে নিতে প্রস্তুত মেদিনীপুর বাসীও। ইতিমধ্যে, মেদিনীপুর শহরের রাস্তাঘাট আলোক সজ্জায় সেজেছে। আর, মেয়েরা বাড়িতে সাজছেন মেহেন্দি’র সৌন্দর্যে, চুড়ি আর পায়েলের পারিপাট্যে! সঙ্গে নতুন সংযোজন, পোশাকের সঙ্গে মানানসই মাস্কে। কচিকাঁচাদের আনন্দ একটু বেশিই! নতুন জামা-কাপড়ের সঙ্গে সঙ্গে তাই খুশির নানা রঙে, আবেগের নানা বর্ণে বাড়ির চার দেওয়ালের মধ্যেই মেতে ওঠার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে তারা। আর, সেই আনন্দের কাছে করোনা আতঙ্ক কিছু সময়ের জন্য হলেও ফিকে হয়ে যেতে বাধ্য!

thebengalpost.in
মেহেন্দির সাজে :

thebengalpost.in
খুশির রঙে :

thebengalpost.in
কেনাকাটা :

আরও পড়ুন -   ফের শুরু হল মেদিনীপুরের 'সূর্যাস্তের হাট', এবার থেকে সপ্তাহে দু'দিন