নির্বাচনের আগে নিবিড় জনসংযোগ! জঙ্গলমহল কাপের পুরস্কারে বাইক-স্কুটি-টিভি-ফ্যান-সাইকেল, সঙ্গে চাকরি

বিজ্ঞাপন

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২৯ জানুয়ারি: নির্বাচনের আগে জঙ্গলমহলের সঙ্গে নিবিড় জনসংযোগের উদ্দেশ্যে, জঙ্গলমহল কাপের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান কেই যেন বেছে নিল প্রশাসন। কি নেই পুরস্কার তালিকায়! বাইক, স্কুটি, ৩২ ইঞ্চি এলইডি টিভি, সাইকেল, ফ্যান, বাদ্যযন্ত্র থেকে শুরু করে মহিলা (চ্যাম্পিয়ন টিমের) ফুটবলারদের দেওয়া হলো চাকরির সুযোগও। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত, ‘জঙ্গলমহল কাপ ২০২১’ এর বিজয়ী দল ও প্রতিযোগীদের আজ পুরস্কার তুলে দেওয়া হল, মেদিনীপুর কলেজিয়েট ময়দানের মঞ্চ থেকে। উপস্থিত ছিলেন, ডিআইজি ভি সোলেমান নিশা কুমার, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমার, পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ সহ জনপ্রতিনিধি বৃন্দ।

thebengalpost.in
জঙ্গলমহল কাপের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান :

বিজ্ঞাপন

[ আরও পড়ুন -   "ভুরিভোজ" (পর্ব- ২) : লোপামুদ্রা নন্দী'র 'লইট্টা মাছের বড়া' ]
thebengalpost.in
জঙ্গলমহল কাপের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান :

এদিনের, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান থেকে জেলা স্তরের ফুটবল, কাবাডি, তীরন্দাজ, ছৌ নাচ, ঝুমুর নাচ প্রভৃতির চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স টিমের প্রতিযোগীদের হাতে তুলে দেওয়া হল আকর্ষণীয় পুরস্কার। বিভিন্ন টিমের প্রতিযোগীদের জন্য ছিল যথাক্রমে- ট্রফি, বাদ্যযন্ত্র, ট্র্যাকশুট, স্ট্যান্ড ফ্যান, সাইকেল প্রভৃতি। এছাড়াও, পুরুষদের ফুটবল বিভাগে সেরা ফুটবলার রোহন সিং (কোতোয়ালি-গুড়গুড়িপাল থানা) এবং মহিলা বিভাগের সেরা ফুটবলার মৌমিতা মুর্মু (শালবনী থানা) ‘র হাতে তুলে দেওয়া হল যথাক্রমে নতুন একটি বাইক ও একটি স্কুটি। শুধু তাই নয়, গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে, জেলা স্তরে মহিলা ফুটবলের চ্যাম্পিয়ন দল শালবনী জাগরণের ফুটবলারদের (যাদের বয়স হয়নি তাঁরাও উপযুক্ত বয়স হলেই চাকরি পাবেন) চাকরির নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। ডিআইজি ভি সোলেমান নিশা কুমার, জঙ্গলমহলের এই সমস্ত তরুণ ক্রীড়াবিদদের প্রশাসনের তরফে উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দিয়ে আরও দক্ষ ও নিখুঁত করে তোলার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

thebengalpost.in
জঙ্গলমহল কাপের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান :

thebengalpost.in
জঙ্গলমহল কাপের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান :

[ আরও পড়ুন -   নির্বাচনের মুখেই জমির অধিকার সত্ত্ব পেল পশ্চিম মেদিনীপুরের প্রায় দশ হাজার পরিবার ]