দ্য বেঙ্গল পোস্ট বিশেষ প্রতিবেদন, সমীরণ ঘোষ, ২ মে: সেই অষ্টাদশ শতকে কবি ‘রায়গুনাকর’ ভারতচন্দ্র রায় আপামর বাঙালির শাশ্বত আবেদন রূপে ‘ঈশ্বরী পাটনী’র কন্ঠে বসিয়েছিলেন- “আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে।” আজ বাংলার ফলাফলের শেষে সেই শাশ্বত আবেদনই সত্য রূপে প্রতিষ্ঠিত হল! ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি নয়, ৭০-৩০ ভেদাভেদ নয়; “২ টাকা কেজি দরে চাল-ডাল-কন্যাশ্রী-রূপশ্রী-ভাতা-অনুদান” এসব নিয়ে অনেক বেশি খুশি এবং তৃপ্ত বাঙালি। ‘শান্তিপ্রিয় বাঙালি’ এর থেকে বেশি এখনই কিছু চাইছেন না! সঙ্গে নরেন্দ্র মোদী সরকারের দরিদ্র-মধ্যবিত্ত বিরোধী বিভিন্ন নীতি আর মেরুকরণের রাজনীতিকে সমূলে প্রত্যাখ্যান করেছেন।


Whatsapp Group এ

আর তাই, ২০০’র বেশি আসন নিয়ে পুনরায় ক্ষমতায় এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে নিজে না জিততে পারলেও, জেতালেন সারা রাজ্যের প্রার্থীদের! পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা ও ঝাড়গ্রাম জেলায় তৃণমূলের জয়জয়কার। ১৯ টির মধ্যে মাত্র ২ টি আসনে (খড়্গপুর সদর ও ঘাটাল/পশ্চিম মেদিনীপুর) বিজেপি জিতেছে। বাঁকুড়া-পুরুলিয়া সহ আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাতেও বিজেপি’র সঙ্গে জোর টক্করে এগিয়ে তৃণমূল। গোটা রাজ্যে ২১০ এর বেশি আসনে এগিয়ে আছে তৃণমূল।
*আপডেট: নন্দীগ্রামে জিতলেন শুভেন্দু অধিকারী… ব্যবধান ২০০০ এর কাছাকাছি* (নির্বাচন কমিশনের সার্ভারের সমস্যা ছিল)*









