দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৯ মে: এবার “মারণ ভাইরাস” করোনা প্রাণ কাড়ল শালবনী টাঁকশাল বা বিআরবি (BRBNMPL)’র এক উচ্চ পদস্থ আধিকারিকের! ডিজিএম (Deputy General Manager) বি. কে. রাও মাত্র ৫১ বছর বয়সেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন কলকাতার এক নামকরা বেসরকারি হাসপাতালে। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া শুধু বিআরবি কলোনীতেই নয়, চুক্তিভিত্তিক কর্মী থেকে ঠিকাদারদের মধ্যেও! সকলেই বলছেন, “স্যার খুব ভালো মানুষ ছিলেন।”


Whatsapp Group এ

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত একমাসে শুধু টাঁকশাল বা বিআরবি থেকে শতাধিক কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। একাধিক জনের মৃত্যু’র খবরও পাওয়া গেছে। তবে, এই প্রথম কোনও উচ্চ পদস্থ আধিকারিকের মৃত্যু হল! সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে করোনা ধরা পড়ে বি.কে. রাওয়ের। প্রথমে শালবনী করোনা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও, অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ২-৩ দিনের মধ্যেই কলকাতায় এক নামকরা বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। প্রায় ১০-১২ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরও শেষ রক্ষা হলনা! মঙ্গলবার রাতে ওই হাসপাতালেই তিনি প্রয়াত হন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে।


এদিকে, গত ৪ দিনে শুধু শালবনী ব্লকেই করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৬৬ জন (২৬, ২৩, ১, ১৬)। এর মধ্যে, টাঁকশাল থেকে ১১ জন। লাগাতার সংক্রমণের মুখে গত প্রায় এক মাস ধরে টাঁকশালে লকডাউন চলছে। এপ্রিলের ১৬-১৭ থেকে যে লকডাউন শুরু হয়েছিল, এখনও তা চলছে বলেই জানা গেছে। জরুরি পরিষেবা ছাড়া সবকিছুই বন্ধ আছে বলেও জানা গেছে।








