নতুন করে আর সুযোগ নয় রবিবারের টেট পরীক্ষায়! হতাশ কয়েক হাজার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, ফুড ইন্সপেক্টর নিয়োগে স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

thebengalpost.in
কলকাতা হাইকোর্ট :

বিজ্ঞাপন

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, কলকাতা, ২৯ জানুয়ারি: হতাশ হতে হল কয়েক হাজার ডিএলএড (D.El.Ed) প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত’কে! আগামী রবিবার (৩১ শে জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে চলা ‘প্রাইমারি টেট ২০১৭’ পরীক্ষায় বসতে পারবেন না তাঁরা। বসতে পারবেন না, ট্রেনিং কমপ্লিট করা কয়েক লক্ষ বি.এড পরীক্ষার্থীও। তবে, বৃহস্পতিবারের রায় অনুযায়ী, যে সমস্ত ডি এল এড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত’রা আজ পর্ষদে গিয়ে অফলাইনে আবেদন করলেন, তাঁরা আগামীকালের মধ্যে ADMIT পেয়ে যাবেন এবং রবিবারের পরীক্ষায় বসতে পারবেন। গতকালই বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছিল, ২৭ শে জানুয়ারি’র পর যারা আদালতে আসবেন তাদের জন্য কোর্ট কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেনা। অর্থাৎ, গতকালের (২৮ শে জানুয়ারির) রায় অনুযায়ী যে কয়েক হাজার ডি এল এড প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষায় বসার অনুমতি পেয়েছেন, তাঁরা ছাড়া নতুন কেউ আর অনুমতি পাবেননা। আজ (২৯ জানুয়ারি), এই মর্মে শুনানি চলাকালীন বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ নতুন করে করা মামলাকারীদের আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে পরিষ্কার বার্তা দিয়ে দেন, “রবিবারের (৩১ জানুয়ারি) পরীক্ষায় কোনো বাধা সৃষ্টি করতে পারবনা। গতকালের রায় চূড়ান্ত। এই রায়ের কোনও পরিবর্তন করতে পারবনা।” আইনজীবীরা বারবার তুলে ধরার চেষ্টা করেন, একদিন পরে আদালতে আসার জন্য এতবড় ক্ষতি হয়ে যাবে, একই ডিগ্রি থাকা পরীক্ষার্থীদের! কিন্তু, বিচারপতি অনড় থাকেন। তিনি বলেন, এই মুহূর্তে, বি এড সহ ১০ লক্ষ পরীক্ষার্থী টেট পরীক্ষায় বসার জন্য যোগ্য। কিন্তু, এই পরিস্থিতিতে পর্ষদ এতজনের পরীক্ষা নেবে কি করে? এরপর তিনি পরবর্তী শুনানির দিন সোমবার ধার্য করেন। এই পরিস্থিতিতে, ডি এল এড ও বি এড সম্পন্ন‌ করা প্রায় ১০ লক্ষ পরীক্ষার্থীর জন্য আদালত হয়তো নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ দিতে পারে পর্ষদ’কে! যদিও, বিধানসভা নির্বাচনের আগে নতুন করে টেট পরীক্ষা আদৌ নেওয়া সম্ভবপর কিনা তা নিয়ে সন্দিহান সব মহলই।

thebengalpost.in
হাইকোর্ট চত্বরে আজ মামলাকারী চাকরিপ্রার্থীদের ভিড় :

বিজ্ঞাপন

[ আরও পড়ুন -   উপাচার্য আরএসএসের লোক, পাঁচিল ভাঙার প্রস্তুতি নিয়েই গিয়েছিল তৃণমূল, মেদিনীপুরে বললেন সূর্যকান্ত ]

এদিকে, আগামী ২ রা ফেব্রুয়ারি থেকে যে ৯৫৭ জন সফল চাকরিপ্রার্থীকে ফুড ইন্সপেক্টরের (SI, Food Dept.) নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা ছিল, অস্বচ্ছতার অভিযোগে সেই প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। বিচারপতি ইন্দ্রপ্রসন্ন মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ আজ নির্দেশ দিয়েছে, এই মামলা যতক্ষণ না রাজ্য ট্রাইবুনালে ফায়সালা হবে, ততদিন পর্যন্ত স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে খাদ্য সরবরাহ দফতর৷ নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা হলেও, তার ফল প্রকাশ না করে, গোপনে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালানো হচ্ছিল বলে অভিযোগ মামলাকারী চাকরিপ্রার্থীদের৷ সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই পদের জন্য পিএসসি’র কাছে ১১ লক্ষ ৬ হাজার ৩৪৭ আবেদন জমা পড়েছিল। লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয় তিন হাজারের বেশি পরীক্ষাকেন্দ্রে।

thebengalpost.in
কলকাতা হাইকোর্ট :

[ আরও পড়ুন -   ঐতিহাসিক রায়! পুজো মণ্ডপে দর্শকের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল কলকাতা হাইকোর্ট ]