‘বিদ্রোহ’ এবার শাসকদলের শিক্ষক সংগঠনে! পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সভাপতি বঞ্চনার কথা তুলে ক্ষোভ উগরে দিলেন

বিজ্ঞাপন

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, পশ্চিম মেদিনীপুর, ২০ ডিসেম্বর: ক্ষোভ উগরে দিলেন শাসকদলের শিক্ষক নেতা এবং মেদিনীপুর পৌরসভার প্রাক্তন ভাইস-চেয়ারম্যান অর্ঘ্য চক্রবর্তী। বর্তমানে, যিনি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি। প্রশ্ন তুললেন, বাম আমলের মতো বর্তমান সময়েও শিক্ষকদের (বিশেষত, প্রাথমিক শিক্ষকদের) শিক্ষকতা ছাড়াও, নানা প্রশাসনিক কর্মসূচি বা প্রকল্পের প্রচার থেকে শুরু করে, সেগুলি সাফল্যমণ্ডিত করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করতে হয়, তা সত্ত্বেও দলীয়ভাবে শিক্ষক সংগঠনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়না! লোক বাড়ানোর জন্য মিছিলে ডাকা হয়, কিন্তু মিটিংয়ে নয়! অথচ, বাম আমলে শিক্ষক সংগঠনকে গুরুত্ব দিতেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী’রা। দলের যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে তাঁদের বা তাঁদের পরামর্শ ও দাবিকে গুরুত্ব দেওয়া হত। আর এখন জেলাস্তরেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না! এভাবে, শিক্ষক সংগঠনকে দমিত বা বঞ্চিত করে রাখার কারণে, শিক্ষক সমিতির সদস্যরা উৎসাহ হারাচ্ছেন। আজ, রবিবার নিজের ফেসবুক পোস্টে এভাবেই গর্জে ওঠেন অভিজ্ঞ দক্ষিণপন্থী নেতা তথা শাসকদলের মেদিনীপুর শহরের অন্যতম নেতা ও তৃণমূল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির জেলা সভাপতি অর্ঘ্য চক্রবর্তী।

thebengalpost.in
দলের প্রচারে সাংসদ মানস ভুঁইয়ার সঙ্গে অর্ঘ্য চক্রবর্তী :

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিজের ফেসবুক পোস্টে অর্ঘ্য বাবু লেখেন, “পঃবঃতৃঃপ্রাঃশিঃসঃ, প.মে. জেলার পক্ষ থেকে চক্র ও জেলা নেতৃত্বদের সহযোগিতায়, এই জেলার বিভিন্নস্থানে NO NRC, NO CAA নিয়ে অবস্থান বিক্ষোভ করেছি। ‘সব শোনে মাষ্টারমশাই’ এর মাধ্যমে করোনা সচেতনতা প্রোগ্রাম করেছি। ওই সময় রক্তের চাহিদা প্রবল হওয়ায় কয়েকটি রক্তদান শিবির করেছি। মাস্ক, স্যানিটাইজার, আর্সেনিক অ্যালবাম ওষুধ বিতরণ করেছি। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সহায়তায় মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে প্রায় ২৫ লক্ষ টাকা জমা দিতে পেরেছি। ‘চলুন মাষ্টারমশাই বাড়ি বাড়ি ঘুরি’ র মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছি। শীত পড়েছে তাই কম্বল বিতরন অনুষ্ঠান শুরু করেছি। বৃক্ষ রোপন সহ বিভিন্ন সমাজসেবা মূলক কাজ করে চলেছি। তারপরেও এই জেলায় দলের কিছু মহানুভব নেতা শিক্ষক সংগঠন কে অচ্ছুৎ করে রেখেছেন, এমন কি জেলার মিটিংয়ে সব শাখা সংগঠন ডাক পেলেও আমাদের সংগঠনকে ডাকার প্রয়োজন মনে করেন না।” এই বিষয়ে অর্ঘ্য বাবু বলেন, “শিক্ষকরাই দেশ বদলায়, সমাজ বদলায়। রাজনীতিতেও যদি শিক্ষকদের গুরুত্ব দেওয়া হয়, দেশের জন্য ভালো, সমাজের জন্য ভালো। একসময় শিক্ষকরা গুরুত্ব পেতেন, এখন আর পাচ্ছেন না। পাঠদানের পরও, প্রশাসনকে পরামর্শ দানের জন্য শিক্ষকদের হাতে যথেষ্ট সময় থাকে। অন্য কাজে যখন লাগানো হচ্ছে, তাঁদের পরামর্শও শোনা হোক।”

thebengalpost.in
প্রচারে প্রাথমিক শিক্ষকরা :

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জেলা থেকে রাজ্য, রাজ্য থেকে দেশ প্রতি মুহূর্তের খবরের আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক বুক পেজ এবং যুক্ত হোন Whatsapp Group টিতে