মণিরাজ ঘোষ, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৩ নভেম্বর: একসাথে ৮ জন বিডিওর পর এবার একসাথে ২ জন অতিরিক্ত জেলাশাসক, ৩ জন মহকুমাশাসক এবং একাধিক আধিকারিক বদলি হলেন পশ্চিম মেদিনীপুরে। শুধু জেলা নয়, সারা রাজ্যে এই রুটিন বদলিতে প্রায় ৬০০ জনের নাম আছে বলে জানা গেছে। তবে, পশ্চিম মেদিনীপুরের ক্ষেত্রে সবথেকে উল্লেখযোগ্য হল, জেলার ৩ জন এসডিও বা মহকুমাশাসকের (Sub Divisional Officer) একসঙ্গে বদলি! মেদিনীপুর সদরের মহকুমাশাসক দীননারায়ণ ঘোষ দীর্ঘ প্রায় চার বছর ধরে (২০১৬ র সেপ্টেম্বর থেকে) দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। পৌরসভা’গুলির নির্বাচন না হওয়ায়, সম্প্রতি তিনি মেদিনীপুর পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও সামলেছেন। স্বাভাবিকভাবেই, মেদিনীপুরের সাথে তাঁর নিবিড় সখ্যতা তৈরি হয়েছিল। তাই তাঁর বদলিতে শহরবাসীর অনেকেরই মন খারাপ! তবে তিনি, অতিরিক্ত জেলাশাসক বা এডিএম (জেলা পরিষদ) হয়ে পাশের জেলা ঝাড়গ্রামে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। অপরদিকে, খড়্গপুরের মহকুমা শাসক বৈভব চৌধুরী এবং ঘাটালের মহকুমা শাসক অসীম পালও দীর্ঘদিন ধরে সাফল্যের সাথে নিজেদের দায়িত্ব পালন করে এসেছেন। এই অর্ডারে বদলি হলেন তাঁরাও!


অন্যদিকে, জেলার ২ জন অতিরিক্ত জেলাশাসক বা এডিএম যথাক্রমে- প্রণব বিশ্বাস (এডিম, জেনারেল) এবং সৌর মণ্ডল (এডিএম, ডেভেলপমেন্ট এবং জেলা পরিষদ) ও বদলি হলেন গতকালের (১২ নভেম্বরের) অর্ডারে। এর মধ্যে, এডিএম প্রণব বিশ্বাস রাজ্য খাদ্য দপ্তরের অন্যতম শীর্ষ পদে বদলি হয়েছেন। এডিএম সৌর মণ্ডল পূর্ব মেদিনীপুরের এডিএম (জেনারেল বা সাধারণ) হিসেবে বদলি হয়ে যাচ্ছেন। বদলি হয়েছেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন দপ্তরের একাধিক আধিকারিক (দীপ ভাদুড়ি, সিদ্ধার্থ গুইন, পার্থ ভোমিক, বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য প্রমুখ)। বদলির অর্ডার এসেছে, ঝাড়গ্রামের মহকুমা শাসক সুবর্ণ রায়েরও। তিনি পুরুলিয়ার ঝালদা’র মহকুমা শাসক হয়ে যাচ্ছেন। ঝাড়গ্রামের মহাকুমা শাসক হয়ে আসছেন পুরুলিয়ারর মানবাজার থেকে বিষ্ণুব্রত ভট্টাচার্য। আর, মেদিনীপুর সদরে মহকুমা শাসক হয়ে আসছেন নদীয়া থেকে নীলাঞ্জন ভট্টাচার্য। যিনি এক সময়, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ডিএমডিসি (DMDC- Deputy Magistrate cum Deputy Collector) হিসেবে কাজ করেছেন।










