বাংলাদেশকে “গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু” বলে দলে টানার চেষ্টা চীনের

Advertisement

বিশেষ প্রতিবেদন, সুদীপ্তা ঘোষ, ২২ জুন : ভারতের সঙ্গে সীমান্তে লাগাতার সংঘর্ষের পর, এবার প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশক দলে টানতে চাইল চীন! ইতিমধ্যে বাংলাদেশ থেকে রফতানিকৃত প্রায় ৩ হাজার ৯৫ টি পণ্যে কোনোরকম শুল্ক নেওয়া হয়না। এবার তার সাথে জুলাই মাস থেকে আরও প্রায় ৫ হাজারের ওপর বাংলাদেশী পণ্যে ৯৭ শতাংশ শুল্ক ছাড় দেওয়ার ঘোষণা করেছেন শি জিনপিং এর দেশ। সবমিলিয়ে, প্রায় ৮ হাজার ২৫৬ টি পণ্যে পুরোপুরি “ডিউটি ফ্রি” হতে চলেছে।
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
একদিকে, তারা সীমান্তে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে ভারতের ওপর; অপরদিকে, ভারতের অন্যতম প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশকেও দলে টানতে মরিয়া হয়ে উঠেছে চীন।ইন্দোনেশিয়ায় এশিয়া ও আফ্রিকার একাধিক দেশ নিয়ে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানিয়েছিলেন, এক বছরের মধ্যেই তুলনামূলক কম উন্নত দেশগুলোর জন্য চীনা বাজার খোলা হবে। নেওয়া হবে না কোনো শুল্ক। সেই প্রতিশ্রুতি রেখেই চলতি বছরের একেবারে মাঝামাঝি সময় থেকে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল চীন, তাও আবার শি জিনপিং ও শেখ হাসিনার আলাপ-আলোচনার মাসখানেকের মধ্যেই।
২০ মে টেলিফোনে কথা হোয়েছিল চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে। সূত্রের খবর, এই আলোচনায় চীন কথা দেয়, “করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কার হলে অগ্রাধিকার পাবে বাংলাদেশ।” এই মুহূর্তে চিনের অন্তত ৫টি শীর্ষ স্থানীয় সংস্থা করোনা ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা চালাচ্ছে। চীনের দাবি, তাদের তৈরি ভ্যাকসিনের বিশ্বব্যাপী ‘ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল’ চলছে। মারণ ভাইরাসের প্রতিষেধক প্রসঙ্গে চীনা দূতাবাসের তরফে জানানো হয়, “বাংলাদেশ আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বন্ধু, অবশ্যই অগ্রাধিকার পাবে।”

Advertisement