করোনা জয় করে ফিরল দুই শিশু, চিকিৎসা শুরু হল নতুন করোনা হাসপাতালে, খুশির হাওয়া পশ্চিম মেদিনীপুরে

Advertisement

মণিরাজ ঘোষ, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১৮ জুন : করোনা জয় করে ফিরছেন দেশ ও রাজ্যের অধিকাংশ মানুষ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ক্ষেত্রে সুস্থতার হার প্রায় ৭০ শতাংশ! আর, সুস্থতার তালিকায় যদি থাকে ছোট্ট শিশুরা, তবে তা সত্যিই স্বস্তির খবর! জেলার কেশপুর ব্লকের পঞ্চমীর বছর দুয়েকের এক শিশু এবং মেদিনীপুর সদর ব্লকের ভবানীনগরের বছর আড়াই এর এক শিশু করোনা আক্রান্ত হয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের বড়মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। বুধবার তাদের করোনা মুক্ত করে বাড়ি পাঠিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জেলা স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে জানা গেছে, দুই শিশুই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছে। উল্লেখ্য যে, দুই শিশুর পরিবারই মহারাষ্ট্রে থাকত। প্রথম ক্ষেত্রে (কেশপুর), শিশুটির বাবাও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, ইতিমধ্যে সুস্থ হয়ে গেছেন। আর, দ্বিতীয় ক্ষেত্রে শিশুটির মা করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, বেশ কিছুদিন আগেই তিনি করোনা মুক্ত হয়েছেন। এই খবরে আপাততো জেলাবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন!

Advertisement
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
বড়মা হাসপাতাল (মেছেদা) :

অপরদিকে, বুধবার (১৭ জুন) থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একমাত্র লেভেল -৪ করোনা হাসপাতাল হিসেবে চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজ শুরু করেছে শালবনী সুপার স্পেশালিটি হসপিটাল। সরকারি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী’দের দিয়ে এই কাজ শুরু হয়েছে বলে জানালেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ নিমাই চন্দ্র মন্ডল। ইতিমধ্যে, লেভেল- ১ আয়ুশে ভর্তি থাকা ৫ জন করোনা আক্রান্ত’কে গতকাল দুপুর নাগাদ শালবনীতে স্থানান্তরিত করা হয়েছে এবং চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে বলেও জানা গেল। জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন, “শালবনীতে চিকিৎসা পরিষেবা শুরু হয়েছে গতকাল থেকে। জেলা স্বাস্থ্য ভবনের অনুমতিক্রমে সরকারিভাবে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী’দের পাঠানো হয়েছে। পুরানো কর্তৃপক্ষের যাঁরা কাজে (চিকিৎসা পরিষেবায়) যোগদানে উৎসাহী, সেই বিষয়েও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে রাজ্যের স্বাস্থ্য ভবন।” একইসাথে, ডেবরা, ঘাটাল, খড়্গপুর, প্যারামেডিক্যাল সহ ৬ টি সেফ-হোম বা করোনা চিকিৎসা কেন্দ্র জেলায় খুব তাড়াতাড়ি চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া শুরু করবে বলেও জানা গেছে জেলা স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে।

দ্য বেঙ্গল পোস্ট
পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য ভবন :