কিছুটা স্বস্তি এল আজ! দুই মেদিনীপুরে আক্রান্ত ১৩ জন এবং সুস্থ ১৩ জন, পশ্চিমে রক্তাক্ত হল এক কোয়ারেন্টিন সেন্টার

Advertisement

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, ১৪ জুন : টানা কয়েকদিনের ভয়ঙ্কর সংক্রমণের পর কিছুটা স্বস্তি এলো আজ! পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর মিলিয়ে গত চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মাত্র ১৩ জন। রবিবার সন্ধ্যায় প্রকাশিত রাজ্যের করোনা বুলেটিন অনুযায়ী, পূর্ব মেদিনীপুরে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১২ জন এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে মাত্র ১ জন। প্রশাসনের তরফ থেকে ইতিমধ্যেই আক্রান্তদের এলাকাগুলিতে কনটেইনমেন্ট জোন ও বাফার জোন চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে, স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত চব্বিশ ঘণ্টায় দাসপুর থানা এলাকার ৫ জন নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ৫ জনকেই মেদিনীপুরের আয়ুশ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে আজ সকালে। অন্যদিকে, আজ দুই মেদিনীপুর মিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১৩ জন (পূর্ব মেদিনীপুরের ৭ জন ও পশ্চিম মেদিনীপুরের ৬ জন)। যদিও স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, দাসপুর ব্লকের ১৭ জন আজ করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। রাজ্যের বুলেটিনে হয়তো এই সংখ্যা এখনো অন্তর্ভুক্ত হয়নি! ঝাড়গ্রাম জেলায় নতুন করে আক্রান্ত হওয়ার খবর নেই। রাজ্যে গত চব্বিশ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৩৮৯ জন, মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের।

Advertisement
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
রাজ্যের বুলেটিন :

এদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একটি কোয়ারেন্টিন সেন্টার রক্তাক্ত হল গতকাল (১৩ জুন) রাতে। গ্রামের স্কুলে কোয়ারেন্টিনে থাকা এক শ্রমিকের রক্তাক্ত ও ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় এবং এ নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়ায় কেশিয়াড়িতে। ওই শ্রমিককে প্রথমে কেশিয়াড়ী গ্রামীন হাসপাতাল এবং পরে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে পাঠিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই মুহূর্তে মেডিক্যাল কলেজে ঐ ব্যক্তি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন।

দ্য বেঙ্গল পোস্ট
দাসপুরে নতুন করে ৫ জন আক্রান্ত :

জানা গিয়েছে, পূর্ব মেদিনীপুর থেকে ফিরে গত শুক্রবার থেকে গ্রামের স্কুলে নিজেদের উদ্যোগে কোয়ারেন্টিনে ছিলেন, কেশিয়াড়ি থানার কুলিয়াড় গ্রামের ৫ জন শ্রমিক। কুলিয়াড় মাধ্যমিক শিক্ষা কেন্দ্রে শনিবার বিকেল থেকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না সনাতন সিং নামে ( আনুমানিক ৪০ বছর বয়সী) এক শ্রমিকের। পরে তাঁর স্ত্রী ও ভাই খাওয়ার দিতে গিয়ে তন্নতন্ন করে খুঁজেও ওই স্কুলের বাথরুমের পেছনে রক্তাক্ত, ক্ষতবিক্ষত ও অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁর শরীরের গলায় ও পেটে গভীর ক্ষত রয়েছে। পাশে পড়ে ছিল ভাঙা মদের বোতল। উল্লেখ্য যে, ঐ ব্যক্তির সঙ্গে থাকা বাকি ৪ জনের দিকেই সন্দেহের আঙুল পরিবারের। পুলিশ তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। অপরদিকে, খড়্গপুরের করোনা আক্রান্ত এক অবসরপ্রাপ্ত রেলওয়ে কর্মীর মৃত্যু হয়েছে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে। তিনি হৃদরোগে ভুগছিলেন এবং সম্প্রতি তাঁর অপারেশনও হয়েছিল বলে জানা যায়। শুক্রবার ওই বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।