করোনা ও আমফান বিধ্বস্ত রাজ্যের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার নজির ঝাড়গ্রামের এক শিক্ষক ও একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঝাড়গ্রাম, ১৩ জুন : পেশায় তিনি শিক্ষক। শিক্ষকতাই তাঁর ধ্যান-জ্ঞান। সেই সাথে মনের কোনে লুকিয়ে রেখেছেন একটা অদ্ভুত কোমল হৃদয়! আর তাই, করোনা অতিমারী আর লকডাউন পরিস্থিতিতে মানুষের দুরবস্থা দেখে তাঁর হৃদয় কেঁদেছে। গোদের ওপর বিষফোঁড়া’র ন্যায়, আমফান ঝড়ঝঞ্ঝাতে বহু মানুষের নাজেহাল অবস্থাও তাঁকে কষ্ট দিয়েছে। তিনি হেরম্বনাথ চক্রবর্তী, গোপীবল্লভপুরের নয়াবসান জনকল্যাণ বিদ্যাপীঠের সংস্কৃত বিষয়ের শিক্ষক। করোনা এবং আমফান ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের সেবার জন্য দিলেন কুড়ি হাজার টাকা। ভারত সেবাশ্রম সংঘের ঝাড়গ্রাম জেলার পুখুরিয়া শাখার অধ্যক্ষ মহারাজের হাতে এই টাকার চেক তিনি তুলে দেন করোনা এবং আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবাকার্যের জন্য। হেরম্বনাথ বাবু বললেন, বাঁকুড়া ‘বিশ্ব প্রেমিক সঙ্ঘ’ এর অধ্যক্ষ স্বামী প্রশান্তানন্দ মহারাজ জীর অনুপ্রেরণাতে এই রকম সেবা কার্য তিনি দীর্ঘ দিন ধরে করে আসছেন। এই কাজ মানব সমাজের পক্ষে যেমন কল্যাণ কর, সেই সঙ্গে ব্যক্তি জীবনের পক্ষেও আশীর্বাদ স্বরূপ বলে মনে করেন তিনি!

Advertisement
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
ব্যতিক্রমী সেই শিক্ষক :

অপরদিকে, ঝাড়গ্রাম ননীবালা বালিকা বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকেও, বৃহস্পতিবার রাজ্যের আপদকালীন ত্রাণ তহবিলে তুলে দেওয়া হয়েছে ৪১০০০ টাকা। বিদ্যালয়ের সমস্ত শিক্ষিকা ও শিক্ষা কর্মীদের পক্ষ থেকে এই টাকা ঝাড়গ্রামের জেলাশাসক আয়েশা রানী এ’র হাতে তুলে দিলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা অরূন্ধতী সেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন অন্যান্য কয়েকজন শিক্ষিকা। রাজ্যের এই চরম সঙ্কটের সময়ে যৎসামান্য এই আর্থিক অনুদানের মধ্য দিয়ে তাঁরা যে মানবিকতার বার্তা দিতে চেয়েছেন, সে কথাই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা অরূন্ধতী সেন জানালেন।