সমস্যা মিটল শালবনীতে, সাধারণ চিকিৎসা পরিষেবার বিষয়ে প্রশাসনের আশ্বাসে উঠল আন্দোলন

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক, শালবনী, ১১ জুন : রাজ্যের নির্দেশে ও জেলা প্রশাসনের তৎপরতায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একমাত্র লেভেল -৪ করোনা হাসপাতাল হিসেবে শালবনী সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালটিকে গড়ে তোলার কাজ যখন প্রায় শেষ পর্যায়ে, ঠিক তখনই আশেপাশের গ্রামের মানুষদের দাবি ও আন্দোলনে আজ সাময়িক সময়ের জন্য ঘনিয়ে এসেছিল আশঙ্কার কলো মেঘ! আজ বিকেল প্রায় ৩ টে থেকে হাসপাতাল চত্বরের আশেপাশের গ্রামগুলির প্রায় শতাধিক মহিলার নেতৃত্বে, বিভিন্ন দাবি নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো শুরু হয়। জেলার স্বাস্থ্যকর্তারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শালবনী’র বিডিও সঞ্জয় মালাকার, বিএমওএইচ অভিষেক মিদ্যা, শালবনী থানার আইসি গোপাল বিশ্বাস প্রমুখ। সন্ধ্যা পর্যন্ত বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ-আন্দোলন চললেও, সন্ধ্যার পর বিডিও’র নেতৃত্বে ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের আলোচনায় সেই আন্দোলন উঠে যায় এবং তাদের অধিকাংশ দাবিই পূরণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়।

Advertisement
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
আন্দোলনকারী ও প্রশাসনের আধিকারিকরা :

করোনা হাসপাতাল হবে এই নিয়ে আশঙ্কার মধ্যে থাকা স্থানীয় গ্রামবাসীদের অন্যতম প্রধান জিজ্ঞাসা ছিল, তাঁরা সাধারণ চিকিৎসা পরিষেবা কোথায় পাবেন বা আদৌ পাবেন কিনা! কারণ, জিন্দলদের অধিগৃহীত এই হাসপাতালে আউটডোর পরিষেবা ছাড়াও ছিল উন্নত মানের ওটি, আইসিইউ প্রভৃতি পরিষেবা। এই বিষয়ে আশঙ্কিত গ্রামবাসীদের, প্রশাসনের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়, শালবনী গ্রামীণ হাসপাতালের পরিষেবা উন্নত করার চেষ্টা করা হবে। অপরদিকে, জঙ্গলমহলের আপাত সহজ-সরল মানুষগুলির মধ্যে করোনা সম্পর্কে কিছু আশঙ্কা-অজ্ঞতা’তো ছিলই! স্বাভাবিকভাবেই সেখান থেকে জন্ম নিয়েছিল আতঙ্ক! সেই সূত্রেই তাঁদের দাবি ছিল, এই করোনা হাসপাতাল এবং সম্পর্কিত পুরো বিষয়টিকে লোকালয় থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দিতে হবে। সেই বিষয়ে বিডিও’র নেতৃত্বে গ্রামবাসীদের আশ্বস্ত করা হয়, এই হাসপাতালটিকে আপাতত অস্থায়ী টিনের ব্যারিকেড করে ঘিরে দেওয়া হবে এবং সমস্ত ধরনের সতর্কতা ও সচেতনতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এরপরই সমস্যার আপাত নিরসন হয়। বিডিও সঞ্জয় মালাকার জানিয়েছেন, “কিছু বিষয় ওনাদের ধারণা পরিষ্কার করা হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি, বিশেষত সাধারণ চিকিৎসা পরিষেবা সম্পর্কিত বিষয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।”