উপসর্গহীন করোনা! মাত্র তিন দিনে বড়মা থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন আক্রান্ত যুবক

Advertisement

বিশেষ প্রতিবেদন, মণিরাজ ঘোষ, ৮ জুন : উপসর্গহীন করোনা আক্রান্ত নিয়ে ভয় ও দুঃশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। গত এক-দেড় মাসে শুধুমাত্র জেলার কয়েকজন উপসর্গহীন করোনা আক্রান্তের উপর সমীক্ষা করে এটুকু স্পষ্ট হয়েছে, ২ থেকে ৭ দিনের মধ্যে অতি সাধারণ চিকিৎসা ও উপযুক্ত শুশ্রূষায় সেরে উঠছেন (বা, করোনা মুক্ত হচ্ছেন) করোনা আক্রান্তরা। এক্ষেত্রে বলা যেতেই পারে, ৮ থেকে ৮০ কেউই ব্যতিক্রম নন!

Advertisement
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
রাজ্যের বুলেটিন অনুযায়ী জেলার রিপোর্ট :

ক্ষীরপাইয়ের ৮৪ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গোকুলেন্দু বিশ্বাসের শরীরে করোনা উপসর্গ বিন্দুমাত্র ছিলনা! তাই, হৃদরোগী হয়েও তিনি দ্রুত চিকিৎসায় সাড়া দিয়েছেন এবং আক্রান্ত হওয়ার তিনদিনের মাথাতেই তাঁর টেস্টের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। জেলার প্রত্যেক উপসর্গহীন আক্রান্তের ক্ষেত্রেই এই কথা প্রযোজ্য। আর, গতকাল (শনিবার) রাতে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে, সেকথাটিই পুনরায় প্রমাণ করে দিলেন, শালবনীর চকতারিনী (হরি মন্দির এলাকা)’র সেই যুবক ,(২২)। বাঁকুড়ার রাইপুরের বাসিন্দা হযেও, শালবনীতে হবু শ্বশুর বাড়িতেই থাকতেন ওই যুবক। গত ২ জুন করোনা আক্রান্ত হলে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা স্বাস্থ্য ভবনের উদ্যোগে তাঁকে চিকিৎসার জন্য বড়মা’তে পাঠানো হয়েছিল। ৩ জুন বড়মা’তে তাঁর প্রথম (সবমিলিয়ে দ্বিতীয়) রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছিল। ৫ জুন বিকেলে ওই যুবককে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। ওই যুবক প্রথম থেকেই উপসর্গহীন ছিল বলে জানা যায়। এই মুহূর্তে, বেশিরভাগ পরিযায়ী শ্রমিকেরও কোনো উপসর্গ নেই এবং কোয়ারেন্টিনের ১২-১৭ দিনের মাথায় তাদের করোনা ধরা পড়ছে, সম্পূর্ণ সূস্থ অবস্থাতেই। এসব ক্ষেত্রে, চিকিৎসা শুরু হওয়ার দু-তিনদিনের মধ্যেই, আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে উঠছেন বলে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে, তুলনামূলক বেশি ভয় অসুস্থ ও দুর্বল মানুষদেরই।