গতকালেরই পুনরাবৃত্তি! চিন্তা বাড়িয়ে ঘাটালের এক পরিযায়ী শ্রমিক এবং খড়্গপুরের মৃত ব্যক্তির রিপোর্ট ‘পজিটিভ’ এল সন্ধ্যাতেই

Advertisement

মণিরাজ ঘোষ ও সায়ক পন্ডা, ঘাটাল, ৩০ মে : ফের যেন গতকালেরই পুনরাবৃত্তি হল আজ! বিকেল পর্যন্ত, সুখবরে জেলাবাসী স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেও, সন্ধ্যার পরই এল দুঃশ্চিন্তার খবর। গতকাল, কেশপুর ব্লকের ২ পরিযায়ী শ্রমিকের আক্রান্ত হওয়ার খবর এসেছিল সন্ধ্যা নাগাদ।‌ আজ ঠিক সন্ধ্যাতেই এল দু’জনের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট! তবে, একজন মৃত ব্যক্তি! খড়়্গপুর পৌরসভার ৪৫ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির গতকাল মৃত্যু হয়েছে করোনা লেভেল-২, গ্লোকাল হাসপাতালে। অপরজন, ঘাটাল পৌরসভার এক পরিযায়ী’ শ্রমিক।

Advertisement

 

বিকেল পর্যন্ত, মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ থেকে যে ১১৫৮ টি রিপোর্ট এসেছিল, সবগুলোই ‘নেগেটিভ’ ছিল বলে জানা গেছে জেলা স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে। কিন্তু, কয়েকটি জটিল বা পেন্ডিং (বা, ‘কনফার্মেটরি’) কেসের রিপোর্ট সন্ধ্যা নাগাদ পৌঁছয় জেলা স্বাস্থ্য ভবনে। এই ‘কনফার্মেটরি’ কেসের রিপোর্টের ক্ষেত্রেই দু’টি ‘পজিটিভ রিপোর্ট’ হওয়ার খবর পাওয়া যায়। ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রেখে এক্ষেত্রেও একজন আক্রান্ত সেই ভিন রাজ্য ফেরত শ্রমিক বা পরিযায়ী শ্রমিক। ঘাটাল পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ওই বাসিন্দা, পেশায় স্বর্ণশিল্পী, সম্প্রতি তিনি দিল্লি থেকে ফিরেছিলেন। ঘাটালের একটি কোয়ারেন্টিন সেন্টারে ছিলেন বলে জানা যায়। আজ সন্ধ্যায় তাঁর রিপোর্ট নিশ্চিত (কনফার্ম) হয় পজিটিভ হিসেবে। ইতিমধ্যে, ওই আক্রান্তকে বড়মা করোনা (লেভেল- ৩ ও ৪) হাসপাতালে পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য ভবন এবং ঘাটালের ৮ নং ওয়ার্ড সিল করা হয়েছে জেলা প্রশাসনের তরফে।

এদিকে, গতকাল রাতে গ্লোকাল হাসপাতালে (বর্তমানে করোনা হাসপাতাল-২), খড়্গপুর পৌরসভার এক বাসিন্দা (৪৫)’র মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের সমস্যা বেঁধেছিল, মৃতদেহ ছাড়াকে কেন্দ্র করে। ২৭ মে শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে ওই ব্যক্তি ভর্তি হয়েছিলেন, গ্লোকালে।‌ ২৯ মে তাঁর মৃত্যু হলেও, করোনা রিপোর্ট আসেনি বলেই মৃতদেহ ছাড়া হয়নি! আজ সন্ধ্যায় মৃত ব্যক্তির রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে বলে জানা যায় জেলা স্বাস্থ্য ভবন সূত্রে।