আত্মনির্ভর ভারত গঠনে কেন্দ্রের নতুন সিদ্ধান্ত, ফ্লিপকার্ট-অ্যামাজন’কে জানাতে হবে প্রস্তুতকারক দেশের নাম

Advertisement

বিশেষ প্রতিবেদন, সুদীপ্তা ঘোষ,৮ জুলাই : অ্যামাজন, ফ্লিপকার্ট, স্ন্যাপডিলের মত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলি সম্পর্কে আমরা প্রত্যেকেই ওয়াকিবহাল। এই সব সাইটগুলি থেকে বাড়ির নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস , জামাকাপড়, আসবাব পত্র, ইলেকট্রনিক্স জিনিস কেনা হয় প্রায় প্রতিদিনই। কিন্তু, সব জিনিসের উৎপাদিত জায়গা অর্থাৎ “country of origin” সম্পর্কে কোন তথ্য ওয়েব সাইটে দেওয়া থাকে না। এবার সেই তথ্য জানানো বাধ্যতা মূলক বলে ঘোষণা করলো, শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বিভাগ। DPIIT-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ই-কমার্স সাইট গুলোতে যে সমস্ত পণ্য বিক্রি করা হবে, তার বিবরণে পণ্যটি কোথায় উৎপাদিত হচ্ছে, সেইসব তথ্য অবশ্যই জানাতে হবে।

দ্য বেঙ্গল পোস্ট
ই-কমার্স পলিসি

আজ, বুধবার এই নিয়ে বৈঠকে বসে মন্ত্রিসভা। সেখানেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সংস্থাগুলিকে ১লা আগস্টের ডেডলাইন দেওয়া হয়েছে অর্থাৎ ১লা আগস্টের পর থেকে ওয়েবসাইটে যেসব পণ্য তালিকাভুক্ত করা হবে তার পাশে যেন অবশ্যই “country of origin” এর তথ্য দেওয়া থাকে। গালোয়ান উপত্যকায় চীন ও ভারতের মধ্যে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তারপরেই দেশজুড়ে চীনা পণ্য বয়কটের ডাক ওঠে এবং তার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে GeM (Government e-Marketplace) অর্থাৎ সরকারি ই মার্কেট প্লেসে বিক্রি হওয়া সব পণ্যের “country of origin” এর তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক বলে ঘোষণা করেছিল কেন্দ্র। সেই খবর টুইট করে জানান ভারতের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সিতারমন।
দ্য বেঙ্গল পোস্ট
অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন এর টুইট

ইতিমধ্যেই যে সমস্ত বিক্রেতারা নিজেদের পণ্য “Government e- Marketplace” এ আপলোড করেছিলেন তাদের পণ্যের বিবরণ এ “country of origin” এর তথ্য দেওয়ার কথা মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং বলা হয়েছে, এরপরেও যদি তথ্য জানানো না হয়, সে ক্ষেত্রে ওই সমস্ত পণ্যগুলি সরিয়ে দেওয়া হবে “GeM” থেকে। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে সংস্থাগুলি কোন রকম আপত্তি জানায়নি, তবে নিয়ম চালু করার ক্ষেত্রে কিছুটা সময় চেয়ে নিয়েছেন তারা। কারণ, তাদের মতে এইসব ওয়েবসাইটে লাখ লাখ পণ্য বিক্রি হয় এবং সমস্ত পণ্যের তথ্য দিতে কিছুটা সময় লাগবে।
দ্য বেঙ্গল পোস্ট

Advertisement