তৃণমূলের সাথে যারা যুক্ত নয়, সেইসব ছাত্র-যুবদের তুলে আনার লক্ষ্যেই বাংলার যুবশক্তি, মেদিনীপুরে এসে বললেন সোহম চক্রবর্তী

Advertisement

নিজস্ব প্রতিবেদক, মেদিনীপুর, ৩ জুলাই : ‘বাংলার গর্ব মমতা’র পর ‘বাংলার যুবশক্তি’। রাজ্যের সমস্ত এলাকার সক্রিয় ছাত্র-যুবদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের প্রতি উৎসাহী করে তোলার লক্ষ্যে, টিম পিকে’র মস্তিষ্ক প্রসূত সর্বশেষ উদ্যোগ। রাজ্যের করোনা ও আমফান পরিস্থিতির মধ্যেও এই অভিনব উদ্যোগ ও ভাবনা নিয়ে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রবল আশাবাদী। যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়’কে সামনে রেখে, এই কর্মসূচির প্রচারকার্য শুরু হয়ে গেছে বিভিন্ন জেলায়। এই প্রচারকার্যের অন্যতম দায়িত্বপ্রাপ্ত, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি নির্মাল্য চক্রবর্তী ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন, ‘বাংলার যুব শক্তি’র সদস্যসংখ্যা ২ লক্ষ অতিক্রম করে গেছে। বৃহস্পতিবার এই ‘যুব শক্তি’ রই একটি আলোচনা সভায় যোগ দিতে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে এসেছিলেন, যুব তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি তথা তৃণমূলের তারকা নেতা সোহম চক্রবর্তী।

thebengalpost.in
যুব শক্তি’র সভায় :

Advertisement

বৃহস্পতিবার ‘যুব শক্তি’র মেদিনীপুরের সভা থেকে সোহম চক্রবর্তী বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পূর্ণ এক নতুন ভাবনা ও উদ্যোগ হল বাংলার যুবশক্তি। সারা রাজ্য জুড়ে যে সমস্ত ছাত্র-যুবরা তৃণমূলের কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নয়, কিন্তু মানুষের কাজ করেন সারা বছর ধরে, মানুষের পাশে থাকেন, তাদের তুলে আনাই যুবশক্তির লক্ষ্য। এই বিপর্যয়ের সময়ে, মানুষের পাশে আরো বেশি করে থাকা দরকার, একসাথে হাত মিলিয়ে কাজ করা দরকার। তাই, বিভিন্ন ক্লাব, সংগঠন কিংবা একক ভাবে যারা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বা দাঁড়াতে উদ্যোগী, তাদের নিয়েই তৈরি হবে বাংলার যুবশক্তি।”
দলমত নির্বিশেষে সকলকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এক জোট হয়ে কাজ করার আহ্বানও জানান তিনি। বিরোধীদের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ করে বলেন, “কোনো কাজ নেই, তাই শুধু বিরোধিতা করে।”
জেলা পরিষদ হলের প্রদ্যোৎ স্মৃতি সদনে আয়োজিত এই সভায়, ‘যুব শক্তি’র দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই রাজ্য নেতা সোহম চক্রবর্তী ও নির্মাল্য চক্রবর্তী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডাঃ মানস রঞ্জন ভূঁইয়া, তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি, জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা সিংহ হাজরা এবং তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জেলা সভাপতি প্রসেনজিৎ চক্রবর্তী।