মণিরাজ ঘোষ, মেদিনীপুর, ৫ মে: দলের বাকি ১২ জন বিধায়ক ও পরাজিত দুই প্রার্থী (প্রদীপ সরকার ও শঙ্কর দোলই) যখন জেলাশাসক ডঃ রশ্মি কমল ও জেলা পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সৌজন্য বিনিময় করলেন, দিলেন জেলার কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরী বার্তা; ঠিক সেই সময়ই স্বাতন্ত্র্যের পরিচয় দিয়ে মেদিনীপুর বিধানসভার নব-নির্বাচিত বিধায়ক জুন মালিয়া সটান চলে গেলেন, বিজেপি প্রার্থী তথা তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শমিত দাসের বিধাননগরের (মেদিনীপুর শহরের) বাড়িতে। সঙ্গে নিয়ে গেলেন ফুল ও মিষ্টি। শমিত’কে মিষ্টি খাইয়ে দিলেন শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা। হিংসা রুখতে একসাথে লড়াই করার বার্তা দিলেন শমিতও। আর, শমিত দাসের আতিথেয়তায় মুগ্ধ জুন মালিয়া তাঁকে ‘ভাইফোঁটা’ দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশও করলেন!



Whatsapp Group এ
প্রসঙ্গত, প্রচার পর্বে পারস্পরিক সৌজন্য বিনিময় করে, সংস্কৃতি-সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির পীঠস্থান মেদিনীপুরের ঐতিহ্য’কে আরও বেশি সমৃদ্ধ করেছিলেন শমিত ও জুন। সেবার এগিয়ে এসেছিলেন বিজেপি প্রার্থী ও প্রাক্তন জেলা সভাপতি শমিত দাস। এবার জয়ী হয়ে সৌজন্য ও সম্প্রীতির নিদর্শন গড়লেন জুন। অবিভক্ত মেদিনীপুরের ঐতিহ্যকে আরও মহিমান্বিত করে, ফিরিয়ে দিলেন সৌজন্য ও ভালোবাসা। আতিথেয়তায় মুগ্ধ করলেন মেদিনীপুরের ভূমিপুত্র শমিতও! ফলাফলের পরই চারিদিকে যখন হিংসার বাতাবরণ, ঠিক সেই সময়ই জুনের এই সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বার্তা শুধু মেদিনীপুর বিধানসভা নয়, জেলা জুড়েই নিঃসন্দেহে শান্তির বার্তা দেবে; মনে করছেন সচেতন মেদিনীপুরবাসী। জুন বললেন, “অশান্তি নয়। শান্তি চাই। আমরা দু’জনই শান্তির বার্তা দিতে চাই দুই দলের কর্মী সমর্থকদের। উন্নয়ন তো একা করা যায় না। হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছি।” আর, হারের যন্ত্রণা বুকে চেপেও, জুনের ব্যবহারে মুগ্ধ শমিত তাঁর স্বভাবসুলভ হাসি মুখে এনে বললেন, “জুন আমার দিদি। ওঁর অভিনয় ভাল লাগে। তিনি এখন বিধায়ক। এক সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে আমাদের মধ্যে কথা হয়েছে।”












