৫২ টি অমীমাংসিত রিপোর্টে ৪ জনের পজিটিভ পশ্চিমে, ঝাড়গ্রামের এক চিকিৎসক সহ নতুন করে ৩ জন করোনা আক্রান্ত, রাজ্যে বাড়বাড়ন্ত

thebengalpost.in
খড়্গপুরে কনটেইনমেন্ট জোন :
Advertisement

দ্য বেঙ্গল পোস্ট প্রতিবেদন, ১৭ জুলাই: টানা কয়েকদিনের তীব্র করোনা ঝড় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় বৃহস্পতিবার কিছুটা স্তিমিত! ঘাটাল মহকুমায় ৩ জন (ঘাটাল, দাসপুর-১, দাসপুর-২) জন ছাড়া দাঁতনের ১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বৃহস্পতিবার। জেলা স্বাস্থ্য ভবনের রিপোর্ট অনুযায়ী মাত্র ৪ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে এদিন। বুধবার যে ৫২ টি অমীমাংসিত ছিল সেগুলির মধ্যেই এই ৪ জনের রিপোর্ট পজিটিভ বলে মনে করা হচ্ছে।

thebengalpost.in
রাজ্যের করোনা বুলেটিন (১৬ জুলাই) :

অপরদিকে, বৃহস্পতিবার রাজ্যের তরফে যে করোনা বুলেটিন প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুরের আক্রান্ত সংখ্যা ১৬ (জেলার রিপোর্ট অনুযায়ী ৪২ জন আক্রান্ত হলেও জেলার বাসিন্দা হয়তোবা ১৬, পুলিশ বাহিনীর অনেকেই ভিন জেলার বাসিন্দা) দেখানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ৩৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বুধবার এবং ঝাড়গ্রামে এক চিকিৎসক (সূত্রের খবর অনুযায়ী, তেঁতুলডাঙার বাসিন্দা), এক ওষুধ সরবরাহকারী (সুভাষপল্লীর বাসিন্দা) সহ মোট ৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। প্রত্যেককেই করোনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে, বুধবার রাতে জেলা স্বাস্থ্য ভবনের রিপোর্ট অনুযায়ী, মেদিনীপুর সরকারি বাস ডিপো’র এক কন্ডাক্টর করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি চন্দ্রোকোনা রোডের বাসিন্দা বলে জানা যায়। এই ঘটনায় বাস কর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। তাঁদের মতে, কলকাতাগামী বাসে ডিউটি করার ফলেই আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের সহকর্মী। এর আগে মেদিনীপুর শহরের এক বাসিন্দা, সরকারি বাসের অন্য এক কন্ডাক্টরও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। বর্তমানে, তিনি আয়ুশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তাঁর পরিবারও জানিয়েছিল, কলকাতা সংস্পর্শেই তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। অপরদিকে, জ্বরের উপসর্গ থাকা এই ব্যক্তিও আয়ুশে নমুনা দিয়েছিলেন মঙ্গলবার। বুধবার রাতে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এই আক্রান্তকেও আয়ুশেই ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা যায়।
thebengalpost.in
জেলার বুলেটিন (১৬ জুলাই) :

Advertisement

এদিকে, সারা রাজ্যে আজ করোনা’র বাড়বাড়ন্ত! সব রেকর্ড ভেঙে দিয়ে, নতুন রেকর্ড গড়েছে রাজ্য! আক্রান্ত ১৬৯০ জন, মৃত ২৩ জন। সবমিলিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃতের সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়ে গেছে! এদিকে, সারা দেশেও আক্রান্তের সংখ্যা ভয়াবহ হারে বেড়ে চলেছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ হতে চলেছে আজই। এই পরিস্থিতিতে, তীব্র সতর্কতা ও সাবধানতা অবলম্বন ছাড়া সাধারণ মানুষের কোনো গতি নেই বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।