সাত বছরেও সংস্কার হয়নি চার কিলোমিটার রাস্তা, দুই জেলার মাঝে পড়েই বেহাল দশা ধেড়ুয়া-লালগড় রাস্তার, উদ্যোগ নেওয়ার বার্তা পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের

.

মণিরাজ ঘোষ ও নবীন কুমার ঘোষ, পশ্চিম মেদিনীপুর, ১২ জুলাই   : খানাখন্দে ভরা বেহাল রাস্তা! সাত বছরেও রাস্তা তৈরির কাজে হাত লাগায়নি প্রশাসন। সন্ধ্যা পর এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা যায় না! রোগী কিংবা অন্তঃসত্ত্বাদের নিয়ে প্রাণ হাতে করে পথ চলতে হয়। কংসাবতী নদী পাড়ের উপর দিয়ে এই রাস্তা চলে গিয়েছে ধেড়ুয়া থেকে লালগড় বাজার পর্যন্ত। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা ও ঝাড়গ্রাম জেলার সংযোগস্থলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তা। আর সেজন্যই কোনো গুরুত্ব নেই দুই জেলা প্রশাসনের! কোন জেলা দায়িত্ব নেবে, এই টালবাহানায় কেটে গেছে সাত বছর! অথচ লালগড়, কাঁটাপাহাড়ি, গোয়ালতোড় প্রভৃতি তিন-চারটি রুটের বাস চলছে এত বছর ধরে। হেলদোল নেই, PWD কিংবা জেলা পরিষদের। দুই জেলার সংশ্লিষ্ট সকলেই নির্বিকার!

thebengalpost.in
ধেড়ুয়া – লালগড় রাস্তার দুর্দশা :

.

স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জয় সিং বলেন, “ধেড়ুয়া থেকে আঁধারজোড়া গ্রামের চার কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা খুবই বেহাল। মানুষ কেন গরু-ছাগলও চলাচল করতে পারবেনা! ভৈরবকুণ্ড ও বেলগাছিয়ার মধ্যে অন্তর্বর্তী রাস্তাটুকু ঝাড়গ্রাম প্রশাসন একবার সংস্কার করেছে। কিন্তু, এইদিকের অবস্থা যে কে সেই!” ধেড়ুয়া অঞ্চলের বিজেপি পরিচালিত উপপ্রধান বিভাস বিষই মারাত্মক অভিযোগ করেন শাসকদলের বিরুদ্ধে, “শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত ওই অঞ্চলে কাজের টেন্ডার একবার হয়েছিল, কিন্তু কন্ট্রাকটর রাস্তার কাজ করতে এসে ফিরে যায়! পরে জানা গেল, কন্ট্রাক্টরের কাছ থেকে ১০ টা মোটরসাইকেল দরুন দশ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়েছিল।”

thebengalpost.in
খানাখন্দ ভর্তি :

এই পরিস্থিতিতে, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ জানিয়েছেন, “সমস্যার কথা গ্রামবাসীরা লিখিত আকারে তুলে ধরলে, উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে, আমি নিজেও উদ্যোগ নিয়ে দেখছি, এতদিন কেন কাজ আটকে আছে।”

.

.

জেলা থেকে রাজ্য, রাজ্য থেকে দেশ প্রতি মুহূর্তের খবরের আপডেট পেতে লাইক করুন আমাদের ফেসবুক বুক পেজ এবং যুক্ত হোন Whatsapp Group টিতে